শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন

শোক-শ্রদ্ধায় স্মরণ জাতির কৃতী সন্তানদের

Printed Edition

নিজস্ব প্রতিবেদক

গভীর শোক-শ্রদ্ধা, ভালোবাসা আর ফুলেল শুভেচ্ছা জানানোর মধ্য দিয়ে জাতি স্মরণ করল শহীদ বুদ্ধিজীবীদের। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ভোরের আলো ফুটতেই নানা শ্রেণিপেশার মানুষ মিরপুর ও রায়ের বাজার বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ভিড় করে। তাদের সাথে ছিল ফুলের তোড়া ও কালো ব্যানার। গতকাল রোববার শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শ্রদ্ধা জানাতে আসা মানুষের কণ্ঠে ছিল ঐক্যবদ্ধভাবে ফ্যাসিবাদ নির্মূলের মাধ্যমে উন্নত-সমৃদ্ধ অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ়প্রত্যয়। ছিল বিগত দিনে ইতিহাস বিকৃতকারীদের রুখে দেয়ার শপথ। নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস চর্চার দাবিও ছিল শ্রদ্ধা জানাতে আসা মানুষের। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি সব শ্রেণিপেশার মানুষের পুষ্পমালা অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানোর পর তাদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

দিবসটি উপলক্ষে এ দিন সকালে কালো পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, শহীদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা, মোমবাতি প্রজ্বলন, শ্রদ্ধা নিবেদন, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে সকালে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে প্রধান উপদেষ্টা কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় বেজে ওঠে বিউগলের করুণ সুর। শহীদদের সম্মানে সশস্ত্রবাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধান উপদেষ্টা, প্রধান বিচারপতি, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাবৃন্দ, ঊর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। পাশাপাশি তিনি আহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ বুদ্ধিজীবীদের পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন। এর আগে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদনের পর শহীদ বেদি সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। তখন একে একে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠন শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়। দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের তরফ থেকে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। এ দিন সকালে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান ও মহানগর উত্তরের সদস্যসচিব আমিনুল হক প্রমুখ। এ ছাড়া গণ অধিকার পরিষদ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয়তাবাদী কৃষকদল, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, বাসদ (মার্কসবাদী), সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, জাতীয় জনতা পার্টি, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দল শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

সকাল থেকেই দলে দলে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পেশাজীবী সংগঠন, শ্রমিক সংগঠন, ছাত্রসংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ব্যানার ও স্লোগানসহ শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তৎপর ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খানের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধিদল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। এ ছাড়া ভিপি সাদিক কায়েমের নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু), ঢাকা আইনজীবী সমিতি, বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লøাস্ট), মিরপুর কলেজ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দল, গণবিশ্ববিদ্যালয়, মহিলা পরিষদ, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব), ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি), বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরসহ বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বিজয়ের ঊষালগ্নে স্বাধীনতার শত্রুরা জাতির অনেক কৃতী সন্তানকে হত্যা করে। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের মাত্র দু’দিন পরই তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানি বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজি আত্মসমর্পণ করেন। তখন পৃথিবীর মানচিত্রে একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

রংপুর ব্যুরো জানায়, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভাসহ নানা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে রংপুরে। গত শনিবার সকাল ১০টায় টাউন হল চত্বরে বদ্ধভূমিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিভাগীয় কমিশনার, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, ডিআইজি, পুলিশ কমিশনার, ডিসি, এসপি, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল এবং জুলাই যোদ্ধারা।

পরে শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- সিটি করপোরেশনের পোশাক মো: আশরাফুল ইসলাম, ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, মহানগর পুলিশ কমিশনার মজিদ আলী, এসপি মারুফাত। ডিসি মোহাম্মদ এনামুল আহসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধা, জুলাই যোদ্ধাসহ অন্যান্যরা অংশ নেন। পরে শহীদের জন্য করা হয় দোয়া, মুনাজাত। এ ছাড়াও রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় পালিত হয় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। মেয়েদের প্রধান অতিথি ছিলেন ভিসি ড. এম শওকত আলী।

ইবি প্রতিনিধি জানান, যথাযোগ্য মর্যাদায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত, কালো পতাকা উত্তোলন, কালো ব্যাজ ধারণ, শোক র‌্যালি এবং স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।

রোববার সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন ও আবাসিক হল গুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। পতাকা উত্তোলন শেষে ভিসি অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, প্রোভিসি অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে একটি শোক র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ^বিদ্যালয় স্মৃতিসৌধে শেষ হয়।

পাবিপ্রবি প্রতিনিধি জানান, যথাযোগ্য মর্যাদায় পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে।

রোববার দিবসটি উপলক্ষে সকাল ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এস এম আবদুল আওয়ালের নেতৃত্বে প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিতে আরো উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি অধ্যাপক ড. মো: নজরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো: শামীম আহসান, রেজিস্ট্রার বিজন কুমার ব্রহ্ম, প্রক্টর অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান খান, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দফতরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো: রাশেদুল হকসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। জাতীয় সঙ্গীত ও পতাকা উত্তোলন শেষে র‌্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা অতিক্রম করে স্বাধীনতা চত্বরে এসে শেষ হয়।

এ সময় শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ডিনবৃন্দ, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ, গণিত বিভাগ, লোক প্রশাসন বিভাগ, ইংরেজি বিভাগ, ইতিহাস বিভাগ, রসায়ন বিভাগ, বাংলা বিভাগ, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, স্বাধীনতা হল, জুলাই ৬ হল, গণতন্ত্র হল, মাতৃভাষা হল ও রোভার স্কাউট।

সিলেট ব্যুরো জানায়, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মো: রেজা-উন-নবী বলেছেন, জনগণের একতা বন্দুকের গুলির চেয়ে শক্তিশালী। যারা বন্দুকের গুলিকে শক্তিশালী মনে করেছে তারাই ঐক্যবদ্ধ জনতার শক্তির কাছে বারবার পরাজিত হয়েছে।

রোববার সকালে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে সিলেট জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেটের জেলা প্রশাসক মো: সারওয়ার আলম। বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের আগমুহূর্তে ১৪ ডিসেম্বর বাঙালি জাতিকে সব দিক দিয়ে মেধাশূন্য করে দিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসররা পরিকল্পিতভাবে বুদ্ধিজীবীদের ওপর নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৪ ডিসেম্বর এদেশ হারিয়েছিল তার সূর্য সন্তানদের। তিনি বলেন, অন্যায়ের কোনো রঙ নেই। প্রত্যেক কষ্ট, নিপীড়ন, অবিচার এবং বৈষম্যের রঙ এক। অদম্য এ জাতিকে কোনোভাবে দমিয়ে রাখা যাবে না। যতবার এ জাতি বৈষম্য, শোষণ, অত্যাচার ও নিপীড়নের শিকার হয়েছে ততবারই সে প্রতিবাদী কণ্ঠে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

আলোচনা সভায় সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাই রাফিন সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মু: মাসুদ রানা, পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা জামাল পাশা বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন।

এ সময় সরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

এ দিন সকালে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে নগরীর চৌহাট্টাস্থ শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে সরকারি বিভিন্ন দফতর, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ও মহানগর ইউনিটসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ উপলক্ষে বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ মুনাজাত ও প্রার্থনা করা হয়।

খুলনা ব্যুরো জানায়, খুলনায় গতকাল রোববার যথাযথ মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আ স ম জামশেদ খোন্দকার।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনার পুলিশ সুপার মো: মাহবুব রহমান, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার দফতরের উপপরিচালক মো: আরিফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মণ্ডল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) কানিজ ফাতেমা লিজা, খুলনা মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আ হ ম রুহুল আমীন ও আহ্বায়ক খুলনা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার মো: আবু জাফর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

এ ছাড়া খুলনা প্রেস ক্লাব, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন, খুলনা মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নসহ বিভিন্ন সংগঠন শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং আলোচনা সভার আয়োজন করে।