প্রয়োজনে ন্যাটো পাশে থাকেনি, ভবিষ্যতেও তাদের পাওয়া যাবে না : ট্রাম্প
Printed Edition
দ্য হিল
ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটের সাথে হোয়াইট হাউজে দীর্ঘ বৈঠকের পর সামরিক এই জোটের ওপর নিজের চরম ােভ উগরে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেয়া এক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, যখন যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার প্রয়োজন ছিল তখন ন্যাটো পাশে থাকেনি এবং ভবিষ্যতেও তাদের পাওয়া যাবে না।
ট্রাম্পের এই আক্রমণাত্মক অবস্থান এমন এক সময়ে সামনে এল যখন ইরান ইস্যুতে ন্যাটোর মিত্র দেশগুলোর নির্লিপ্ততায় ট্রাম্প প্রশাসন গত কয়েক মাস ধরেই প্রকাশ্য অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে আসছে। বিশেষ করে কয়েক মাস আগে গ্রিনল্যান্ড দখল নিয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনার বিরোধিতার বিষয়টি তিনি পুনরায় সামনে এনে দ্বীপটিকে ‘বিশাল ও জঘন্যভাবে পরিচালিত এক টুকরো বরফ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
হোয়াইট হাউজে বুধবার রুট ও ট্রাম্পের মধ্যে প্রায় দুই ঘণ্টা স্থায়ী এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মূলত ইরান ও ইসরাইলের মধ্যকার চলমান সংঘাতের পে ন্যাটো নেতা মার্ক রুট নীতিগত সমর্থন দিলেও সরাসরি এই যুদ্ধে জড়াতে মিত্র দেশগুলোর অনীহাই ট্রাম্পের ােভের মূল কারণ।
ট্রাম্প প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরেই চাপ দিয়ে আসছিল যাতে ন্যাটোর সদস্যরা এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের প নিয়ে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। কিন্তু মিত্র দেশগুলো ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে অস্বীকৃতি জানানোয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিমান চলাচলের অনুমতি বা সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ না দেয়ায় দুই পরে মধ্যে সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটেছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও গত সপ্তাহে এক সাাৎকারে জানিয়েছেন, ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটার পর ন্যাটোর সাথে সম্পর্কের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় খতিয়ে দেখবে। রুবিওর মতে, ন্যাটো জোটটি এখন আর দ্বিপীয় স্বার্থ রা করছে না, বরং এটি একতরফা একটি সংস্থায় পরিণত হয়েছে।