লালসবুজে খেলাই তাদের লক্ষ্য

Printed Edition

ক্রীড়া প্রতিবেদক

দেয়া হবে ইয়েস কার্ড। মানে যারা কোচদের নোটবুকে জায়গা পেয়েছেন তারা পাবেন ইয়েস কার্ড। তাই মঞ্চ থেকে একে একে ডাকা হচ্ছিল উঠতি ফুটবলারদের। এই কার্ড পেয়ে আরো উল্লসিত খেলোয়াড়রা। মোট ৩৬ জন ফুটবলারের ভাগ্যে জুটেছে ইয়েস কার্ড। ১২৮ জন ফুটবলারকে ৭ দিন পরীক্ষা করা শেষে এই ৩৬ জনই প্রাথমিকভাবে বিবেচিত হলেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় দলের ক্যাম্পের জন্য। কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে এই বাছাই পর্ব শেষে গতকালই সব খেলোয়াড় বাড়ি এবং বিকেএসপিতে ফিরে গেছেন। যাওয়ার আগেম তারা বলেন, এখন তাদের খেলা জাতীয় দলে খেলা। লালসবুজ জার্সি গায়ে তোলা।

বাফুফের কোচরা জানান, বিকেএসপি থেকে ৫ ফুটবলার এসেছিল ট্রায়াল দিতে। এর মধ্যে তিন টিকেছেন। তাদেরই একজন নাফিদ আলম। রাজশাহীর ছেলে নাফিদের পজিশন অ্যাটাকিং মিডফিল্ড। জানান, আমি বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় দলের প্রাথমিক ক্যাম্পে ডাক পেয়েছি। এখন লক্ষ্য মূল দলে চান্স পাওয়া। অধ্যাপক বাবার একমাত্র ছেলে নাফিদ পরিবার থেকে উৎসাহ পেয়েই এসেছেন ফুটবলে।’ চট্টগ্রামের ছেলে রায়াদ। দীর্ঘদেহী। খেলছেন গোলরক্ষক পজিশনে। ছোট বেলা থেকেই তার স্বপ্ন ছিল গোলরক্ষক হওয়ার। সেই পথেই এগুচ্ছেন তিনি। জানান, আপাতত : লক্ষ্য অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় দল। এরপর সিনিয়র জাতীয় দলে খেলতে চাই। তার বাবা চট্টগ্রামে ফুটবল খেলেছেন। তাই বাবা চান তার মতো ছেলেও যেন ফুটবলার হন।

টাঙ্গাইলের ছেলে মাহাদিন রাফি। জানান, বেশ ভালো লেগেছে। কারন অনেক খেলোয়াড়দের মাঝ থেকে আমি ইয়েস কার্ড পেয়েছিল। আর এখন লক্ষ্য অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ পাওয়া। রাফির প্রিয় খেলোয়াড় ব্রাজিলের নেইমার। তার লক্ষ্য নেইমারের মতো ফুটবলার হওয়া। জয়পুরহাটের গোলরক্ষক সওগাত। জানান, খুব ভালো লাগছে। দোয়া করবেন যেন বাংলাদেশ দলে খেলার সুযোগ পাই।

লক্ষ্মীপুরের সন্তান সাকিব ও সৌরভ আহমেদ। সাকিব খেলেন মিডফিল্ডে। আর সৌরভ স্ট্রাইকার। সৌরভ জানান, অনেক খেলোয়াড়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে ইয়েস কার্ড পেয়েছিল। তাই এখন লাল-সবুজ জার্সি গায়ে তুলতে চাই। কুমিল্লার মোর্শেদ ইয়েস কার্ড পেয়ে দারুণ খুশী।