ভেনিসে যাচ্ছে বাঁধনের ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’

Printed Edition
bino-4
ভেনিসে যাচ্ছে বাঁধনের ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’

বিনোদন প্রতিবেদক

অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের অভিনীত চলচ্চিত্র ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ জায়গা করে নিয়েছে বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে। একই সাথে নতুন আরেকটি সিনেমা ‘গুলশানের চামেলি’তেও অভিনয় করতে যাচ্ছেন তিনি। নতুন সিনেমা, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও দেশের সমসাময়িক পরিস্থিতি নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী।

ভেনিসে নির্বাচিত হওয়া ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ প্রসঙ্গে বাঁধন বলেন, শুরু থেকেই তার বিশ্বাস ছিল ছবিটি বিশ্বের কোনো বড় চলচ্চিত্র উৎসবে জায়গা করে নেবে। তবে শুরুতে এই ছবিতে তার জন্য কোনো চরিত্রই ছিল না। একদিন সকালে পরিচালক রুবাইয়াত হোসেন ফোন করে একটি দৃশ্যে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন। পরে রিহার্সালের সময় চরিত্রটির গুরুত্ব বাড়তে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত তিনি ছবির একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন। বাঁধন বলেন, ছবিটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে রয়েছেন জাইনিন চৌধুরী করিম। এ ছাড়া সুনেরা বিনতে কামাল ও শিমুও এতে অভিনয় করেছেন। কার চরিত্র কত বড়, তা নিয়ে কেউ ভাবেননি। সবাই একটি ভালো সিনেমার অংশ হওয়ার লক্ষ্য নিয়েই কাজ করেছেন। উৎসবে অংশ নিতে ইতোমধ্যে ভিসার জন্য আবেদনও করেছেন বলে জানান তিনি। এদিকে নতুন সিনেমা ‘গুলশানের চামেলি’ নিয়েও আশাবাদী বাঁধন। তার ভাষ্য, গল্পটি তাকে খুব আকৃষ্ট করেছে। এতে তিনি একজন মানবাধিকারকর্মী ও আইনজীবীর চরিত্রে অভিনয় করবেন। পরিচালক ইকবাল তাকে বলেছেন, ‘আপনিই আমাদের সিনেমার হিরো’। নির্মাতার এমন সম্মান ও আস্থাই তাকে কাজটি করতে অনুপ্রাণিত করেছে। আগামী ডিসেম্বরে ছবিটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা। এতে আরো অভিনয় করবেন কলকাতার মধুমিতা, রোজিনা, আমিন খান ও আশীষ খন্দকার। কাজের ক্ষেত্রে নিজেকে কোনো নির্দিষ্ট ধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চান না বাঁধন। তিনি বলেন, বাণিজ্যিক ও শৈল্পিক সব ধরনের চলচ্চিত্রেই কাজ করতে চান। অভিনয়ই তার পেশা এবং এ কাজের মাধ্যমেই সংসার ও মেয়ের দায়িত্ব পালন করেন। অভিনয়ের পাশাপাশি নিয়মিত বই পড়া ও সিনেমা দেখেন বলে জানান বাঁধন। ভবিষ্যতে চিত্রনাট্য লিখতে এবং নিজের গল্প নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণেও আগ্রহী তিনি। জুলাই আন্দোলনের দুই বছর পূর্তি প্রসঙ্গে বাঁধন বলেন, আন্দোলনে অংশ নেয়া মানুষের রাজনৈতিক বিশ্বাস ভিন্ন হতে পারে, তবে সবাই স্বৈরাচারী শাসনের অবসান চেয়েছিলেন। সেই মুক্তি এলেও তার প্রত্যাশা পূরণ হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি। অন্তর্বর্তী সরকারকে নিয়ে হতাশার কথাও জানান বাঁধন।