ইরানের মোকাবেলায় আত্মরক্ষার সক্ষমতা নিয়ে খোদ ইসরাইলি মহলেই উদ্বেগ

Printed Edition

মিডল ইস্ট মনিটর

ইরানের সাথে সম্ভাব্য যুদ্ধ শুরু হলে নিজেকে রক্ষার সক্ষমতা এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর অতিনির্ভরশীলতার কার্যকারিতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইসরাইলের নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট মহলগুলো। বিশ্লেষকেরা ক্রমেই এ বিষয়ে নিশ্চিত হচ্ছেন যে ইরানের সাথে পরবর্তী দফার সঙ্ঘাতে ইসরাইল নিজেকে রক্ষা করার ক্ষেত্রে আগের চেয়ে কম প্রস্তুত থাকতে পারে। এ উদ্বেগের মূল কারণ হলো, ইরানের ক্রমবর্ধমান ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি। এটি গত বছরের জুনে হওয়া ১২ দিনের সঙ্ঘাতের আগের তুলনায় এখন অনেক বেশি শক্তিশালী।

তেহরান যখন তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার পুনরুদ্ধার ও আধুনিকায়নের কাজ পুরোদমে চালিয়ে যাচ্ছে; তখন ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র এখনো ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের (প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্র) তীব্র সঙ্কট ও দীর্ঘ উৎপাদন প্রক্রিয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ পরিস্থিতি পরবর্তী দফার ক্ষেপণাস্ত্র যুদ্ধের ধরন মৌলিকভাবে বদলে দিতে পারে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, দুই পক্ষের মধ্যে সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাতের মাত্রা থেকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হুমকির প্রকৃত ভয়াবহতা পুরোপুরি ফুটে ওঠেনি। তবে এটি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় বর্তমানে ইসরাইলের মোতায়েন করা প্রতিরক্ষাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাগুলো স্পষ্ট করে দিয়েছে।

তেহরান যখন তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডার পুনরুদ্ধার ও আধুনিকায়নের কাজ পুরোদমে চালিয়ে যাচ্ছে; তখন ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র এখনো ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের (প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্র) তীব্র সংকট ও দীর্ঘ উৎপাদন প্রক্রিয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ পরিস্থিতি পরবর্তী দফার ক্ষেপণাস্ত্র যুদ্ধের ধরন মৌলিকভাবে বদলে দিতে পারে।