বিজিবির অভিযানে ফেব্রুয়ারিতে ১৩১ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ
Printed Edition
নিজস্ব প্রতিবেদক
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের সীমান্ত এলাকাসহ অন্যান্য স্থানে অভিযান চালিয়ে সর্বমোট এক শ’ ৩১ কোটি ১৯ লাখ ৭২ হাজার টাকা মূল্যের বিভিন্ন প্রকারের চোরাচালান পণ্যসামগ্রী জব্দ করেছে।
জব্দকৃত চোরাচালান দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে এক কেজি ১৬৯.৭২ গ্রাম স্বর্ণ, ১০,৮৭৮টি শাড়ি, চার হাজার ৯২০টি থ্রিপিস-শার্টপিস-চাদর-কম্বল, ১১,৬৪২টি তৈরি পোশাক, ৮৮৭ মিটার থানকাপড়, চার লাখ ১৩,৪৮৯টি কসমেটিক্স সামগ্রী, দুই হাজার ৪৬৪ পিস ইমিটেশন গহনা, ১৮,৮৩,৫৪৫টি আতশবাজি, তিন হাজার ৬৪৬ ঘনফুট কাঠ, ১৩,৮৫২ কেজি চা পাতা, আট হাজার ৪৭৪ কেজি সুপারি, ১৭,৪৭২ কেজি কয়লা, ৫৫,২৬০ ঘনফুট বালু, এক শ’ ৯৫টি মোবাইল, চার হাজার ৯২৮পিস মোবাইলের ডিসপ্লে, পাঁচ হাজার ৬৪৩টি চশমা, ২৯,৪৭৭ কেজি জিরা, ১৬,২৯২ কেজি চিনি, ৩৩,৮৭০ কেজি পিঁয়াজ, এক হাজার ২০৪ কেজি রসুন, তিন হাজার ৫৫৬ প্যাকেট বিভিন্ন প্রকার বীজ, চার হাজার ৭০১ কেজি সার, দুই হাজার ৩৯২ প্যাকেট কিটনাশক, ৯৪,২২৭ পিস চকলেট, ৬৩৮টি গরু-মহিষ, তিনটি কষ্টিপাথরের মূর্তি, আটটি ট্রাক-কাভার্ডভ্যান, সাতটি ট্রাক্টর, সাতটি পিকআপ, দু’টি প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাস, দু’টি ট্রলি, ২৯টি সিএনজি-ইজিবাইক, ৩৪টি মোটরসাইকেল এবং ২৬টি বাইসাইকেল-ভ্যান।
উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ১৩টি বিদেশী-দেশীয় পিস্তল, একটি রাইফেল, ১৬টি ম্যাগাজিন, ১৬০ রাউন্ড গোলাবারুদ, ১৬টি ককটেল, ৮২টি ইলেকট্রিক ডেটোনেটর, তিন কেজি গান পাউডার, ২৪টি অন্যান্য অস্ত্র এবং পাঁচ কেজি ভারতীয় রাসায়নিক উপদান। এ ছাড়াও গত মাসে বিজিবি কর্তৃক বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ১৭,০৯,০৮০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, দুই কেজি ২৬৮ গ্রাম হেরোইন, দুই হাজার ১৯৯ বোতল ফেনসিডিল, এক কেজি ২৪৪ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস, ছয় হাজার ৪৫৮ বোতল বিদেশী মদ, ১০০ লিটার বাংলা মদ, ১,৩৬৮ বোতল ক্যান বিয়ার, ৯৩৭ কেজি ৩৫০ গ্রাম গঁাঁজা, ১,৬১,৮৫৩ প্যাকেট বিড়িও সিগারেট, দুই শ’ ১২ কেজি বিড়ি তৈরির মসলা, ১,৯৯,০৫৪টি নেশাজাতীয় ট্যাবলেট-ইনজেকশন, দুই হাজার ৪৭৭ বোতল ইস্কাফ সিরাপ, ৯,৩৬১টি অ্যানেগ্রা-সেনেগ্রা ট্যাবলেট এবং ২৫০ গ্রাম কোকেন ও ৩,১৯,৮৬৩ পিস বিভিন্ন প্রকার ওষুধ। সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদকপাচার ও অন্যান্য চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৪১ জন চোরাচালানি এবং অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের দায়ে ৭৬ জন বাংলাদেশী নাগরিক, দুইজন ভারতীয় নাগরিক ও ১৩৫ জন মিয়ানমার নাগরিককে আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।