সম্পর্ককে পরবর্তী স্তরে নেয়ার সুস্পষ্ট রূপরেখা দিয়েছেন ট্রাম্প

ভিডিও বার্তায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত

Printed Edition

কূটনৈতিক প্রতিবেদক

ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ককে পরবর্তী স্তরে নিয়ে যাওয়ার একটি সুস্পষ্ট রূপরেখা দিয়েছেন। এটি বাস্তবায়নে আমি ঢাকায় কঠোর পরিশ্রম করছি।

বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত হিসেবে আগমনের ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষে গতকাল দেয়া এক ভিডিও বার্তায় ক্রিস্টেনসেন এ মন্তব্য করেন। গত ১৫ জানুয়ারি বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ১০০ দিন পর আমি যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আরো বেশি আশাবাদী। আমরা সবাই মিলে এরপর কী অর্জন করি, তা দেখার জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র একটি ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা আমাদের বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনবে এবং উভয় দেশকে আরো সমৃদ্ধ করবে। এই বাণিজ্যিক সম্পর্কগুলো গড়ে তোলার জন্য আমি বাংলাদেশজুড়ে মার্কিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে নিরলসভাবে কাজ করে গেছি।

গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাংলাদেশে আসার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রই প্রথম দেশ যারা নির্বাচনের ফলাফলকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে।

ক্রিস্টেনসেন বলেন, আমরা অবৈধ অভিবাসন মোকাবেলা করতে এবং একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের সাথে কাজ করছি। আমরা বাংলাদেশের সাথে একটি নতুন স্বাস্থ্য অংশীদারিত্বের মাধ্যমে যক্ষ্মা ও হামের মতো রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করছি। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সহায়তাকারী বৃহত্তম দাতা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র পাশে রয়েছে। রোহিঙ্গা সঙ্কটের রাজনৈতিক সমাধানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র চাপ অব্যাহত রাখবে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের জনগণ আমাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছে। দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশকে জানতে পেরে আমি আনন্দিত। আমি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন করেছি, পহেলা বৈশাখের উৎসব উপভোগ করেছি, একটি প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ দেখেছি এবং স্থানীয় খাবারের স্বাদ গ্রহণ করেছি। এর চেয়ে বেশি কিছু আমি চাইতে পারতাম না।