জাইমার ভুয়া ফেসবুকের কার্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে : জনমনে বিভ্রান্তি
Printed Edition
মাহবুব আলী খানশূর ব্রিটেন প্রতিনিধি
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নাতনী এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একমাত্র কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের নামে ভুয়া ফেসবুকের একটি ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে। দাদী অসুস্থ থাকলেও তার বাবা কেন দেশে যাচ্ছেন না, তার ভুল ব্যাখ্যা রয়েছে ওই ফটোকার্ডে। ওই ফটোকার্ডের দেখে কাউকে বিভ্রান্ত না হতে অনুরোধ করেছন বিএনপির প্রেসের দায়িত্বে নিয়োজিত সাংবাদিক সালেহ শিবলী। বিএনপির চেয়ারপারসন এবং বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালের আইসিইউ ভর্তি আছেন। তার বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘদিন লন্ডনে বাস করছেন। মায়ের অসুস্থকালীন সময়েও তিনি কেন দেশে যেতে পারছেন না, তার ব্যাখ্যা তিনি কিছুদিন আগে তার ভেরিফায়েড ফেজবুকের মাধ্যমে দিয়েছেন। কিন্তু ইদানীং কিছু ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারেক রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি ও পেজ খুলে নিজেদের মতো করে বিভিন্ন তথ্য ছড়াচ্ছে। যা বিএনপি ও জিয়া পরিবারের সদস্য অবগত নয়। এতে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছেন এবং বিএনপি ও তারেক রহমানের নামে নানা ধরনের বিরূপ মন
গত ২৩ নভেম্বর বিএনপির ইউরোপীয় প্রতিনিধি দলের সাথে প্রবাসী ভোটারদের ভোট কার্যক্রম বিষয়ে এক ভার্চুয়াল সভায় যুক্ত হন জাইমা রহমান। এ সময় তিনি দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন। এর পর থেকে দলের ও দলের বাইরে বিভিন্ন ব্যক্তি জাইমা রহমানের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার বিষয়ে নানা খবর ছড়িয়ে দিচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় সাম্প্রতিক এই ভুয়া ফেসবুকের ফটোকার্ড ছড়িয়ে দেয় কেউ।
সম্প্রতি রাজনৈতিক ময়দানে আলোচনা করতে শুনা যায়, তারেক রহমানের দেশে যাওয়া দেরি হওয়ায় তার মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে রাজনীতিতে সক্রিয় করা হচ্ছে। তবে রাজনৈতিক ময়দানে জাইমা রহমানের আনুষ্ঠানিক উপস্থিতি নতুন হলেও তার রাজনৈতিক অঙ্গনে পদচারণা শুরু বহু আগেই। ছোটবেলায় দাদী বেগম খালেদা জিয়ার সাথে তাকে প্রায়ই দেখা যেত বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ও রাজনৈতিক আয়োজনগুলোতে।
এ দিকে দলের একাধিক শীর্ষ নেতা মনে করছেন, ব্যারিস্টারি সম্পন্ন করার পর জাইমার দলীয় সভায় অংশ নেয়া বিএনপির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব কাঠামোতে তার সক্রিয় ভূমিকার পূর্বাভাস হতে পারে। অনেকেই মনে করছেন, দেশ-বিদেশে দলীয় কর্মকাণ্ডে তার উপস্থিতি বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।