ইউএনজিএর দায়িত্বেও প্রস্তুতি নিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ নিউ ইয়র্ক যাচ্ছেন
Printed Edition
কূটনৈতিক প্রতিবেদক
জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রস্তুতিমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান আজ শুক্রবার থেকে ২০ দিনের জন্য নিউ ইয়র্ক যাচ্ছেন।
জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশন আগামী ৮ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে শুরু হচ্ছে। আর উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্ক শুরু হবে ২২ সেপ্টেম্বর। ওই বিতর্কে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ইতঃপূর্বে ইউএনজিএ’র সভাপতি নির্বাচনে বাংলাদেশের প্রার্থী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সাইপ্রাসের বহুপাকিতা বিষয়ক বিশেষ দূত ও রাষ্ট্রদূত আন্দ্রেয়াস এস কাকুরিসের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে জয়লাভ করেছেন। গত ২ জুন নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে জাতিসঙ্ঘের সদস্যভুক্ত ১৯৩টি দেশের মধ্যে ১৯০টি দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। ইউএনজিএ সভাপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার জন্য প্রয়োজন ছিল ৯৬ ভোট।
ভোটাভুটিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান পেয়েছেন ৯৯ ভোট। আর সাইপ্রাসের আন্দ্রেয়াস এস কাকুরিস পেয়েছেন ৯১ ভোট। অর্থাৎ আট ভোটের ব্যবধানে বাংলাদেশ জয়ী হয়েছে।
এশিয়া-প্যাসেফিক গ্রুপের এই নির্বাচন থেকে ফিলিস্তিন সরে যাওয়ায় বাংলাদেশের সাথে সাইপ্রাসের সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। এই সভাপতিত্বের মেয়াদ হবে এক বছর।
ড. খলিলুর রহমান একই সাথে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ইউএনজিএ’র সভাপতির দায়িত্ব সামলাবেন। তার মতে, আজ থেকে ৪০ বছর আগে বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
আমি তার একান্ত সচিব ছিলাম। তিনি দুই পদেই (পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি) পূর্ণকালীন দায়িত্ব পালন করতে পেরেছেন।
তখন ছিল ইন্টারনেট-পূর্ব যুগ। এখন নিরবচ্ছিন্নভাবে দুটি দায়িত্বই একসাথে পালন করা সম্ভব। তথ্য প্রযুক্তির উৎকর্ষতার এই যুগে এটি এখন খুবই স্বাভাবিক।