জনতাকে ভোটমুখী করতে টয় ট্রেন
Printed Edition
নয়া দিগন্ত ডেস্ক
পাহাড়বাসীকে বেশি করে ভোটমুখী করতে হেরিটেজ টয় ট্রেনকে কাজে লাগাল ভারতের দার্জিলিং জেলা প্রশাসন এবং দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে (ডিএইচআর)। নির্বাচনী সচেতনতা বৃদ্ধি করতে শুক্রবার থেকে দার্জিলিং স্টেশনে শুরু হয়েছে ‘মেগা সুইপ’ কর্মসূচি। উদ্যোগের মূল আকর্ষণ, টয় ট্রেনের বিশেষ সংস্করণ ‘ডেমোক্রেসি এক্সপ্রেস’।
কেবল যাত্রী পরিষেবার মাধ্যম হিসাবেই নয়, পাহাড়ের আবেগের আর এক নাম টয় ট্রেন। তাই টয় ট্রেনকেই এবার বেছে নেয়া হয়েছে গণতন্ত্রের বার্তাবাহক হিসেবে।
শুক্রবার দার্জিলিং স্টেশনে ডিএইচআরের ডিরেক্টর ঋষভ চৌধুরী এবং জেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা হরিশঙ্কর পানিকরের উপস্থিতিতে এই আয়োজন উৎসবের রূপ নেয়। কর্মসূচির মূল লক্ষ্য, সাধারণ মানুষকে ভোটমুখী করা। সেজন্য দার্জিলিং স্টেশন থেকে বাতাসিয়া লুপ পর্যন্ত একটি বিশেষ টয় ট্রেন ‘ডেমোক্রেসি এক্সপ্রেস’-এর সূচনা হয়।
ট্রেনের প্রতিটি কামরায় সাঁটানো ছিল ভোটদানের গুরুত্ব এবং নির্বাচনী সচেতনতামূলক নানা পোস্টার। যাত্রাপথে মাইক প্রচারের মাধ্যমে ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটদানের আহ্বান জানানো হয়। ডিএইচআরের ডিরেক্টর বলেন, ‘‘গণতন্ত্রের উৎসবকে সফল করতে সব ভোটারকে অংশগ্রহণ করতে হবে। ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ টয় ট্রেনের যে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা এবং আকর্ষণ, তাকে কাজে লাগিয়ে আমরা সাধারণ মানুষের কাছে নির্বাচনী সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দিচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য, এই ঐতিহাসিক মাধ্যমটিকে ব্যবহার করে প্রতিটি নাগরিককে তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন করা।’’ তিনি জানান, শৈলশহরে যাওয়া দেশি-বিদেশী পর্যটকদের মধ্যেও ভারতের নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরতে এই বিশেষ ট্রেনের যাত্রা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাহাড়ের প্রতিটি স্টেশনে টয় ট্রেন থামলেই যাতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে ভোটদানের প্রয়োজনীয়তার কথা পৌঁছোয়, সেটাই তাদের লক্ষ্য। বিশেষ করে নতুন ভোটারদের উৎসাহিত করতেই এই ‘মেগা সুইপ’ কর্মসূচি।