জয়ের পরও কোপা দেল রে থেকে বিদায় বার্সার

Printed Edition

ক্রীড়া ডেস্ক

অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে সেমিফাইনাালের প্রথম লেগে ৪-০ গোলে হেরে অনেকটা পিছিয়ে ছিল বার্সেলোনা। নিজেদের মাঠে গত পরশু ফিরতি লেগের ম্যাচটি ছিল ‘অসম্ভবকে সম্ভব’ করার। দলটির কোচ হ্যান্সি ফ্লিকের ডাকে সাড়া দিয়ে তিন গোল করে অবিশ্বাস্য কিছুর আশাও জাগাল তার শীর্ষরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর পেরে উঠেনি। দুই লেগ মিলে বার্সেলোনাকে ৪-৩ এগ্রিগেটে হারিয়ে দীর্ঘ এক যুগ পর কোপা দেল রে’র ফাইনালে উঠল অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ।

ন্যূ ক্যাম্পে গত পরশু সেমিফাইনালের ফিরতি লেগে অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ৩-০ গোলে জয় পেয়েছে বার্সেলোনা। ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে প্রথমার্ধে দুই গোল করে বার্সেলোনা। ঘরের মাঠে কতটা দাপট দেখিয়েছে দলটি, সেটার প্রমাণ ফুটে উঠছে পরিসংখ্যানেও। পুরো ম্যাচে ৭০ শতাংশ বল পজিশনে রেখে গোলের জন্য নেয়া ২১ শটের ৯টি লক্ষ্যে রেখে তিনবার জালের দেখা পায় দলটি। বিপরীতে ৩০ শতাংশ বল পজিশনে রেখে গোলের জন্য নেয়া সাত শটের দু’টি লক্ষ্যে রাখলেও জালের দেখা পায়নি অ্যাথলেটিকো।

রিয়াদ এয়ার মেট্রোপলিটানো প্রথম লেগে চার গোলে পিছিয়ে পড়ার ব্যবধান ঘোচাতে শুরু থেকে আক্রমণ করতে থাকে বার্সেলোনা। তবে ১২ মিনিটেই বড় ধাক্কা খায় স্বাগতিক দল। চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার জুলস কুন্ডে। ২৯ মিনিটে প্রথম গোল পায় বার্সেলোনা। টরেসের নিচু শট ঝাঁপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে মুসেসা রক্ষা করলেও ওই কর্নার থেকেই এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। কর্নার থেকে পাওয়া বলে বাঁ দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে গোলমুখে লামিনে ইয়ামালের পাস সহজেই জালে পাঠান বার্নাল। ৩৫ মিনিটে পেদ্রিকে বক্সে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় স্বাগতিকরা। স্পট কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রাফিনহা।

৬৪ মিনিটে ফেরমিন লোপেজ ও ফার্নান্দো টরেসকে পরিবর্তন করে দানি ওলমো ও মার্কাস র‌্যাশফোর্ডকে মাঠে নামান কোচ। ৭২ মিনিটেই স্কোরলাইন ৩-০ করে ফেলে বার্সেলোনা। কান্সেলোর ক্রসে ছয় গজ বক্সে বল পেয়ে ভলিতে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার বার্নাল। দুই লেগ মিলে সমতায় ফিরতে আরো একটি গোল চায় হ্যান্সি ফ্লিকের দলের। কিন্তু বাকি সময় অনেক চেষ্টা করেও আরেকটি গোলের দেখা পায়নি গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। এতে ২০১২-১৩ মৌসুমে দশমবারের মতো এই প্রতিযোগিতার শিরোপা জয়ের পর আবার ফাইনালে উঠল অ্যাথলেটিকো।