ইকোসিস্টেম সুরক্ষা ও সমুদ্রভিত্তিক পরিকল্পনায় গুরুত্ব দিতে হবে : মৎস্য উপদেষ্টা
Printed Edition
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, সমুদ্র বিজ্ঞানে বাংলাদেশে অত্যন্ত দক্ষ গবেষক ও বিজ্ঞানী আছেন। নীতিনির্ধারণে তাদের গবেষণালব্ধ তথ্য প্রাধান্য দিতে হবে। ইকোসিস্টেম সুরক্ষা, সমুদ্র ভিত্তিক পরিকল্পনা এবং জলবায়ু সহনশীল মৎস্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দিতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তন এবং অবৈধ, অপ্রকাশিত ও অনিয়ন্ত্রিত মাছ ধরা একক দেশের পক্ষে মোকাবেলা করা সম্ভব নয়। এজন্য আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদার করতে হবে।
তিনি গতকাল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্স আয়োজিত ‘মেরিন ফিশারিজ অ্যান্ড ব্লু ইনোভেশন : সেইফগার্ডিং ওশান হারমোনি’ শীর্ষক চার দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। চট্টগ্রাম নগরের দ্য পেনিনসুলা হোটেলে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশন উদ্বোধন করেন চবি ভিসি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার, বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রোভিসি (শিক্ষা) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, প্রোভিসি (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো: কামাল উদ্দিন ও বাংলাদেশ মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. আবদুর রউফ।
উপদেষ্টা বলেন, বড় শিকারি মাছ কমে যাওয়ায় জেলিফিশের আধিক্য দ্রুত বাড়ছে পাচ্ছে, যা পরিবেশগত ভারসাম্যের জন্য বিপজ্জনক সঙ্কেত। এসব ফলাফল বঙ্গোপসাগরের ইকোসিস্টেমে দ্রুত হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার ইঙ্গিত দেয়।
সেমিনারে আরো বক্তব্য দেন যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব পোর্টসমাউথের বিজনেস স্কুলের ড. পিয়ের ফাইলার ও চবি ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সের পরিচালক ড. শেখ আফতাব উদ্দিন আহমেদ।
সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ নেছারুল হকের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সি-রিসোর্স গ্রুপের পরিচালক রুমানা রউফ চৌধুরী, চীন, রাশিয়া, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা গবেষক, চবি মেরিন সায়েন্স ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা। বিজ্ঞপ্তি।