উঠতি ফুটবলাররা ভদ্রতা কবে শিখবেন
Printed Edition
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রশ্ন জাগছেই তাহলে জাতীয় দলের ক্যাম্পে কি ফুটবলারদের মাঠে আচরণ সম্পর্কে কোনো কিছু শেখানো হয় না। জুনিয়র জাতীয় দলের ফুটবলারদের প্রায়ই লালকার্ড পেতে হয় মাঠে। সাধারণ ফাউলের জন্য লালকার্ড হলে সেটা ভিন্ন কথা। তবে অফ দ্য বল প্রতিপক্ষ ফুটবলারকে ক্রমাগম লাথি মেরে লালকার্ড পেলে তা কোনোভাবেই কাম্য নয়। পরশু ল্যাতিন বাংলা সুপার কাপে আর্জেন্টিনার অ্যাথলেটিকো চার্লন ক্লাবের এক ফুটলারকে মাটিতে ফেলে তিনবার লাথি মারেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় দলের ইহসান হাবিব রেদোয়ান। যিনি এ আসরে খেলেছেন রেড অ্যান্ড গ্রিন রাইজিং স্টারের হয়ে। আর্জেন্টিনার খেলোয়াড় প্রতিবাদ করতে এলে ফের তাদের উপর চড়াও হন রেদোয়ান। এবার মারেন ঘুষি। সাথে রেড অ্যান্ড গ্রিন দলের আরেক খেলোয়াড় আর্জেন্টিনার আরেক খেলোয়াড়রের মাথায় ঘুষি মারেন। এতে রেফারি বিটুরাজ বড়–য়া লালকার্ড দেখান রেদোয়ান ও আর্জেন্টিনার এর খেলোয়াড়কে। ম্যাচটি অবশ্য ১-১ গোলে শেষ হয়।
এ রেদোয়ানরা উঠতি ফুটবলার। মাঠে তাদের ভদ্র আচরণ করতে হবে। এ শিক্ষা জাতীয় দল বা ক্লাব পর্যায় থেকে শিখে আসতে হবে। যদি সঠিক শিক্ষা হতো তাহলে এরা মারামারি করার সাহসই পেতো না। এরপরও যারা এ কাজ করে যাবেন তাদের অবশ্যই জাতীয় দল থেকে বের করে দেয়া উচিত। প্রয়োজনে ক্লাব ফুটবলেও নিষিদ্ধ করা উচিত। তাকেতো মাঠে নামানো হয়েছে খেলার জন্য মারামারি করার জন্য নয়।
এ দিকে নানা অনিয়মের কারণে ল্যাতিন বাংলা সুপার কাপের জন্য জাতীয় স্টেডিয়ামের বরাদ্ধ স্থগিত করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। এতে আগামীকাল এ মাঠে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা থেকে আসা দুই দলের খেলা অনিশ্চিত হয়ে গেছে। এ ছাড়া পরশু সাংবাদিকরাও হেনস্তার শিকার হয়েছে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা লোকদের কাছে, যা ভেন্যু স্থগিতের বিষয়কে ত্বরান্তিত করে। যদিও শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি আয়োজনে ক্রীড়া পরিষদের সাথে গত রাতে মিটিংয়ে বসেছিল আয়োজকরা। তবে আগামীকালের ম্যাচে উপস্থিত থাকছেন না ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার কাফু ও আর্জেন্টিনার ক্লাউডিও ক্যানিজিয়া।