চট্টগ্রাম ও সিলেটে ৮ দলের মহাসমাবেশ ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি

Printed Edition

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

চট্টগ্রাম ও সিলেটে আটদলের বিভাগীয় সমাবেশকে ঘিরে সর্বত্র উৎসবমুখর প্রচারণা চলছে। আজ শুক্রবার চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে বেলা ২টা থেকে শুরু হবে সমাবেশ। এ উপলক্ষে গত এক সপ্তাহ ধরে নগরজুড়ে মাইকিং, লিফলেট বিতরণ, গণসংযোগ ও মিছিল চলছে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, পুরো নগরী জনসমুদ্রে পরিণত হবে। সমাবেশস্থলে ৩০০ মাইক, ১৩টি স্পটে এলইডি স্ক্রিন, প্রায় দুই হাজার স্বেচ্ছাসেবক ও সকাল থেকে সাংস্কৃতিক আয়োজনেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। জুমার নামাজের পর শুরু হবে মূল কার্যক্রম।

চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি, গণভোটের আয়োজন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডসহ ৫ দফা দাবি বাস্তবায়নে জাতীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখবেন। বক্তাদের মধ্যে থাকবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান, ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির সরওয়ার কামাল আজিজী, খেলাফত মজলিসের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং জাগপা ও বিডিপির প্রতিনিধিরা। আয়োজকরা বলছেন, দেশের স্বার্থে অতীতেও চট্টগ্রাম বড় আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল- সেই ধারাবাহিকতায় এবারো লাখো মানুষ যোগ দেবেন। এ দিকে পরদিন শনিবার সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে আটদলের বিভাগীয় সমাবেশকে কেন্দ্র করে সিলেট বিভাগেও চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। সিলেট নগরী, জেলা শহর, উপজেলা ও গ্রামাঞ্চলে মিছিল, মাইকিং, গণসংযোগে মুখর জনপদ। গত বৃহস্পতিবার নগরীতে হাজারো মানুষের প্রচার মিছিল হয়েছে, আগামীকাল বাদ জুমা আরো মিছিলের ঘোষণা রয়েছে।

সিলেট ব্যুরো জানায়, সমাবেশস্থলে বিশাল মঞ্চ নির্মাণসহ সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ। মঞ্চে ১০০ অতিথি বসার ব্যবস্থা থাকবে। এসএমপি, সিসিক ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা মাঠ পরিদর্শন করেছেন এবং নিরাপত্তায় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। লিয়াজোঁ কমিটির সমন্বয়ক ও সিলেট মহানগর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম জানান, আলিয়া মাঠ লোকসমুদ্রে ভরে যাবে। কয়েক লাখ মানুষের সমাগমের লক্ষ্যে সহস্রাধিক স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত।

এই সমাবেশেও বক্তব্য রাখবেন ডা: শফিকুর রহমান, মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকসহ আট দলের কেন্দ্রীয় নেতারা। আয়োজকদের আশা, চট্টগ্রাম ও সিলেট- উভয় সমাবেশ থেকেই গণভোটসহ পাঁচ দফা দাবিতে সরকারের প্রতি শক্ত বার্তা যাবে।