প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিবৃতি

প্রত্যাশিত সংস্কার বাধাগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা খেলাফত মজলিসের

Printed Edition

১৯৮৯ সালের ৮ ডিসেম্বর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক সম্মেলনের মাধ্যমে খেলাফত মজলিসের যাত্রা শুরু হয়। খেলাফত মজলিসের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেশবাসী ও সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, আমিরে মজলিস মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের।

এক যৌথ শুভেচ্ছা বার্তায় নেতৃদ্বয় বলেন, দীর্ঘদিনের স্বৈরাচার-ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার অপশাসন থেকে দেশবাসী মুক্তি পেলেও আমাদের এখনো কাক্সিক্ষত বিজয় আসেনি। সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় এ দেশকে আরো দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে। দুর্নীতি, অবিচার ও জুলুম মূলোৎপাটনে এখানে আমূল সংস্কার প্রয়োজন। নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় প্রশাসনিক সংস্কার ও শিক্ষাব্যবস্থার সব স্তরে ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার বিকল্প নেই।

বর্তমান সরকার জাতীয় নির্বাচনের দিকে এগিয়ে গেলেও নির্বাচনের পূর্বে আলাদাভাবে গণভোট অনুষ্ঠান না করলে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও জনগণের প্রত্যাশিত সংস্কার কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এর মধ্যে কালো টাকা ও পেশিশক্তির প্রভাবমুক্ত পরিবেশ ও নির্বাচনী লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এখনো তৈরি হয়নি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও নাজুক। পরাজিত ফ্যাসিবাদী অপশক্তি ষড়যন্ত্র ও নাশকতায় লিপ্ত।

তারা বলেন, বাংলাদেশবিরোধী সব অপতৎপরতার বিরুদ্ধে আরো সোচ্চার থাকার জন্য আমরা জনগণকে আহ্বান জানাচ্ছি। ঈমান ও দেশপ্রেমবোধ জাগ্রত করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। সাহসিকতার সাথে সার্বভৌমত্ববিরোধী যেকোনো হুমকি মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকতে হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের সব ষড়যন্ত্র ও উসকানি ধৈর্যের সাথে মোকাবেলা করতে হবে। উগ্রবাদের কোনো পাতানো ফাঁদে পা দেয়া

যাবে না।

খেলাফতভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা মানুষের ইহকালীন ও পরকালীন জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে উল্লেখ করে তারা বলেন, খেলাফতের আদর্শে একটি জনকল্যাণমূলক ও জনপ্রতিনিধিত্বশীল সরকারব্যবস্থা আমরা বাংলাদেশে কায়েম

করতে চাই। বিজ্ঞপ্তি।