বেলগাঁও চা বাগানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা সাড়ে চার লাখ কেজি

Printed Edition

তাফহীমুল ইসলাম বাঁশখালী (চট্টগ্রাম)

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর পুকুরিয়া ইউপির পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত বেলগাঁও চা বাগানে চলতি বছরে (২০২৬) উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে সাড়ে চার লাখ কেজি। যা শতবর্ষী এই চা বাগানের ইতিহাসের সর্বোচ্চ লক্ষ্যমাত্রা। এর আগে গত বছর এই বাগানে সর্বোচ্চ চার লাখ কেজি চা পাতা উৎপাদন হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের এক সপ্তাহ আগেই গত বছরের এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়।

২০২৪ সালে এই বাগানে চা পাতা উৎপাদন হয়েছে তিন লাখ নব্বই হাজার কেজি। বর্তমানে সিটি গ্রুপ কর্তৃক পরিচালিত এই বাগানের আয়তন ৩৪৭২ একর হলেও মাত্র ৮৫০ একর জায়গায় চা পাতা উৎপাদন হচ্ছে। তবে প্রতি বছরেই নতুন করে ৫০ একর জায়গায় উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে। বর্তমানে ৭০০ জন শ্রমিক এই বাগানে কাজ করছে। ২০২৪ সালে চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের এই চা বাগান জাতীয়ভাবে ১৫তম এবং চট্টগ্রামে চা উৎপাদনে তৃতীয় হয়। এই বাগানের প্রতি কেজি চা পাতা বিক্রি হয় ২৫০ টাকা কেজি দরে, যা জাতীয়ভাবে নিলামের মাধ্যমে বাজারজাত হয়। বেলগাঁও চা বাগান সম্পর্কিত এসব তথ্য জানান চা বাগানের ব্যবস্থাপক আবুল বাশার।

পর্যটন কেন্দ্র হিসেবেও বাঁশখালীর বেলগাঁও চা বাগানের আলাদা পরিচিতি রয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী এই বাগানে ঘুরতে আসে। ছুটির দিনে বাড়তি উপস্থিতিও দেখা যায় দর্শনার্থীদের। তবে এই বাগানে যাওয়ার একমাত্র সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। ফলে চা বাগানে মালামাল পরিবহনে এবং দর্শনার্থীদের যাতায়াতে চরম কষ্ট ভোগ করতে হয়।

বাগানের ব্যবস্থাপক আবুল বাশার জানান, ‘বেলগাঁও চা বাগানে ভিআইপি ব্যক্তিরাসহ প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী ঘুরতে আসেন। সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে দর্শনার্থীদের পাশাপাশি আমাদের শ্রমিকদের যাতায়াতে এবং মালমাল পরিবহনেও অসুবিধা হয়।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর পুকুরিয়া ইউপির পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত বেলগাঁও চা বাগানে চলতি বছরে (২০২৬) উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে সাড়ে চার লাখ কেজি। যা শতবর্ষী এই চা বাগানের ইতিহাসের সর্বোচ্চ লক্ষ্যমাত্রা। এর আগে গত বছর এই বাগানে সর্বোচ্চ চার লাখ কেজি চা পাতা উৎপাদন হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের এক সপ্তাহ আগেই গত বছরের এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়।

২০২৪ সালে এই বাগানে চা পাতা উৎপাদন হয়েছে তিন লাখ নব্বই হাজার কেজি। বর্তমানে সিটি গ্রুপ কর্তৃক পরিচালিত এই বাগানের আয়তন ৩৪৭২ একর হলেও মাত্র ৮৫০ একর জায়গায় চা পাতা উৎপাদন হচ্ছে। তবে প্রতি বছরেই নতুন করে ৫০ একর জায়গায় উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে। বর্তমানে ৭০০ জন শ্রমিক এই বাগানে কাজ করছে। ২০২৪ সালে চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের এই চা বাগান জাতীয়ভাবে ১৫তম এবং চট্টগ্রামে চা উৎপাদনে তৃতীয় হয়। এই বাগানের প্রতি কেজি চা পাতা বিক্রি হয় ২৫০ টাকা কেজি দরে, যা জাতীয়ভাবে নিলামের মাধ্যমে বাজারজাত হয়। বেলগাঁও চা বাগান সম্পর্কিত এসব তথ্য জানান চা বাগানের ব্যবস্থাপক আবুল বাশার।

পর্যটন কেন্দ্র হিসেবেও বাঁশখালীর বেলগাঁও চা বাগানের আলাদা পরিচিতি রয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী এই বাগানে ঘুরতে আসে। ছুটির দিনে বাড়তি উপস্থিতিও দেখা যায় দর্শনার্থীদের। তবে এই বাগানে যাওয়ার একমাত্র সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। ফলে চা বাগানে মালামাল পরিবহনে এবং দর্শনার্থীদের যাতায়াতে চরম কষ্ট ভোগ করতে হয়।

বাগানের ব্যবস্থাপক আবুল বাশার জানান, ‘বেলগাঁও চা বাগানে ভিআইপি ব্যক্তিরাসহ প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী ঘুরতে আসেন। সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে দর্শনার্থীদের পাশাপাশি আমাদের শ্রমিকদের যাতায়াতে এবং মালমাল পরিবহনেও অসুবিধা হয়।