খামেনিকে হত্যা ও ইরানে হামলার প্রতিবাদ বিভিন্ন সংগঠনের

Printed Edition
back-4
ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি হামলার প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল : নয়া দিগন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি হত্যা ও যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের যৌথ সামরিক হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিভিন্ন সংগঠন।

খেলাফত আন্দোলন : ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি হত্যা ও যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের যৌথ সামরিক হামলার প্রতিবাদে গতকাল বিকেলে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন। আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে বক্তৃতা করেন, দলের নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি সুলতান মহিউদ্দিন, প্রচার সম্পাদক মাওলানা সাইফুল ইসলাম সুনামগঞ্জী, মুফতি আবুল হাসান কাসেমী, মাওলানা আব্দুর রশিদ ফরিদী, হাফেজ আল আমিন প্রমুখ। অপর এক বিবৃতিতে আন্দোলনের প্রধান আমিরে শরিয়ত আল্লামা আবু জাফর কাসেমী ও মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলাম এক বিবৃতিতে বলেছেন, আমেরিকা ও ইসরাইল সারা বিশ্বে যুদ্ধ বাধানোর গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। মাহে রমজানের পবিত্র সময়ে যেখানে বিশ্ব মুসলিম পবিত্র রমজানের রোজা রাখা ও ইবাদতে লিপ্ত সেই সময়েই তারা ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছে।

ইরানের স্কুলে হামলা চালিয়ে ছাত্র-ছাত্রীসহ বেসামরিক লোকজনকে হত্যা করেছে, যা বিশ্বের কোনো বিবেকবান মানুষ সমর্থন করতে পারে না। সারা বিশ্ব মুসলিমের উচিত আমেরিকা ও ইসরাইলের এই সব চক্রান্তের সমুচিত জবাব দিতে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানো।

ইসলামী আন্দোলন : সংগঠনের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর বলেছেন, ইরান একটি স্বাধীন-স্বার্বভৌম দেশ। সেই দেশের প্রধান ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে নিজ বাসভবনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে হত্যা করা প্রতিষ্ঠিত বিশ্বব্যবস্থার প্রতি স্পষ্ট উপেক্ষা ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। গতকাল এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি : ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি। এক শোক বার্তায় দলটি মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত ইরানি জনগণের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছে। দলের চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন পারভেজ ও মহাসচিব মোহাম্মদ আবু হানিফ স্বাক্ষরিত যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের পক্ষ থেকে ইরানের ওপর ব্যাপক হামলা এবং দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতাসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের হত্যার ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও উদ্বেগজনক। এ ধরনের আগ্রাসী কর্মকাণ্ড আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি-স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক হুমকি বলে উল্লেখ করা হয়।

বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি : বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির আল্লামা সরওয়ার কামাল আজিজি ও মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইযহার এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ইরানের সার্বভৌমত্বের উপর এই আগ্রাসন আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার এবং রাষ্ট্রসমূহের পারস্পরিক সম্মানের নীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এ ধরনের হামলা শুধু একটি দেশের বিরুদ্ধে নয়, বরং সমগ্র বিশ্বের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম : এক বিবৃতিতে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সাথে দলটির সভাপতি শাইখুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক ও মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা আন্তর্জাতিক আইন, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব এবং জাতিসঙ্ঘ সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। একজন সার্বভৌম রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতার ওপর আক্রমণ কেবল একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ নয়, বরং এটি আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক হুমকি।

খতমে নবুওয়াত : বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশজুড়ে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও ইসরাইলি হিংস্র থাবার যে তাণ্ডব চলছে, তা কেবল একটি ভৌগোলিক যুদ্ধ নয়, বরং এটি ইসলামী সভ্যতা ও মুসলিম উম্মাহর সার্বভৌমত্বের ওপর এক সুগভীর আঘাত। ইরান, ফিলিস্তিনসহ একের পর এক মুসলিম জনপদ আজ আমেরিকার আগ্রাসী নীতির কারণে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়াত বাংলাদেশের মহাসচিব শাইখুল হাদিস আল্লামা মহিউদ্দিন রাব্বানী গতকাল এক বিবৃতিতে বলেন, আমেরিকার এই হিংস্র ও সাম্রাজ্যবাদী চরিত্র আজ গোটা বিশ্বব্যবস্থার নিরাপত্তার জন্য চরম হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ

ইরানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে ঢাকা। গতকাল বাদ জোহর রাজধানীর বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী শাখার উদ্যোগে এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা এই হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের নগ্ন লঙ্ঘন এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে অভিহিত করেন।

বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন, পবিত্র রমজান মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে যে হামলা চালিয়েছে, তা বিশ্বজুড়ে শান্তিকামী মানুষের হৃদয়ে আঘাত দিয়েছে। আলোচনার টেবিল সচল রেখে ট্রাম্প প্রশাসনের এই আক্রমণ কেবল আন্তর্জাতিক রীতিনীতিই নয়, বরং খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনকেও লঙ্ঘন করেছে। একটি স্বাধীন দেশের সর্বোচ্চ ব্যক্তিকে হত্যা করা কোনো সভ্য আন্তর্জাতিক রীতিতে পড়ে না। এই হামলায় ইরানে একটি স্কুলের শতাধিক শিশুকে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল চরম পৈশাচিকতা প্রদর্শন করেছে।

সমাবেশ থেকে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মহাসচিব বলেন, জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ইরানের ওপর এই হামলার বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব আনতে হবে এবং মার্কিন ও ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিবাদ জানাতে হবে। একই সাথে তিনি আরব দেশগুলোর জনগণকে মার্কিন দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

ঢাকা মহানগরী উত্তরের সভাপতি মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ খন্দকারের সভাপতিত্বে এবং ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেনের পরিচালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, যুগ্ম মহাসচিব ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল, অধ্যাপক মো: আবদুল জলিল, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাবুদ্দিন আহমদ খন্দকার ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ রায়হান আলী।

সমাবেশ শেষে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তীব্র ঘৃণা প্রকাশ করে।

শিবিরের প্রতিবাদ

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শাহাদত ও দেশটিতে মার্কিন-ইসরাইলি বর্বরোচিত যৌথ আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

গতকাল এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ছিলেন বিশ্বজুড়ে সাম্রাজ্যবাদ ও জায়নবাদী শক্তির বিরুদ্ধে এক অকুতোভয় ও আপসহীন কণ্ঠস্বর। আজীবন তিনি মজলুমদের পক্ষে লড়াইয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ফিলিস্তিন থেকে শুরু করে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে নির্যাতিত মুসলিমদের পক্ষে তিনি ছিলেন এক সুদৃঢ় আশ্রয়। সাম্রাজ্যবাদী অপশক্তি তাকে হত্যার মাধ্যমে মূলত ন্যায়ের কণ্ঠস্বরকে স্তব্ধ করতে চেয়েছে; কিন্তু তিনি নিজ মাতৃভূমি রক্ষায় লড়াই করতে করতে শাহাদত বরণ করে প্রমাণ করেছেন যে, সত্যের সৈনিকরা কখনো মাথা নত করে না।

নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে আসছিলেন, এই পরিকল্পিত আগ্রাসন তারই নগ্ন প্রতিফলন। গতকাল থেকে আকস্মিকভাবে ইরানজুড়ে মার্কিন-ইসরাইলি যৌথ বিমান হামলায় ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ, আইআরজিসি কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপোর এবং নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি শামখানিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা এবং সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনির পরিবারের সদস্যরাও নিহত হয়েছেন। বিশেষ করে, গতকাল দক্ষিণ ইরানের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে ইসরাইলি বাহিনীর বর্বরোচিত হামলায় অন্তত ৮৫ জন নিরপরাধ শিশু শিক্ষার্থীর প্রাণহানি ঘটেছে। ঘটনাপরম্পরায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলছে। সাম্রাজ্যবাদীদের এই নগ্ন হামলা আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। এই পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে যে, সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো আজ সভ্যতা ও মানবতার জন্য প্রধান হুমকিতে পরিণত হয়েছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, শিশুসহ নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা বিশ্বকে এক অনিবার্য মহাবিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিশ্বশান্তি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় অবিলম্বে এই আন্তঃরাষ্ট্রীয় যুদ্ধ বন্ধ করে কূটনৈতিক সংলাপের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছানো ছাড়া আর কোনো কার্যকর বিকল্প নেই। আমরা ইরানে চলমান নৃশংস হত্যাকাণ্ড ও বেসামরিক জনগণের ওপর অব্যাহত হামলা বন্ধের জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়কে দ্রুত উদ্যোগ নেয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি।

বিবৃতিতে এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিশ্ববাসীকে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে নেতৃবৃন্দ আয়াতুল্লাহ খামেনিসহ সব শহীদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন।

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির নিন্দা

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড মাহমুদুল হাসান মানিক ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কমরেড নুর আহমদ বকুল এক বিবৃতিতে বলেন, গত দু’দিন ধরে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে মিথ্যা বয়ান তৈরি করে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও ইসরাইলি জায়ানবাদ পারস্য উপসাগরে ইরানের ওপর অন্যায় হামলা চালিয়ে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন করেছে। মার্কিন ও ইসরাইল যৌথভাবে নতুন দস্যুবৃত্তিতা শুরু করেছে। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের তাঁবেদার মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য মুসলিম দেশগুলোর স্বার্থপর ও সুবিধাবাদী আচরণও গ্রহণযোগ্য নয়। এসব দেশে মার্কিন ঘাঁটির জায়গা দিয়ে ঐ দস্যুবৃত্তি তাকেই সমর্থন দিয়ে চলেছে। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ সারা বিশে^ তেলসম্পদ নিয়ন্ত্রণ দখল ও সামরিক আধিপত্যের আগ্রাসনের যে নীতি নিয়েছে তাতে তৃতীয় বিশ^যুদ্ধের পথকেই প্রশস্ত করছে।

বিবৃতিতে দেশে দেশে রেজিমচেঞ্জ সার্বভৌমত্বের ওপরও আঘাত, সামরিক খবরদারি গণতান্ত্রিক শান্তিপ্রিয় মানুষ মেনে নেবে না, ক্রমেই মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে। এক বিশ^নীতিতে মার্কিনিদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে। দেশে দেশে সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধবাদী নীতির বিরুদ্ধে জনগণকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানানো হয় এবং অবিলম্বে ইরানের ওপর আক্রমণ বন্ধসহ এই হামলার নিন্দা জানানো হয়।