১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে তারেক রহমান দেশে ফিরছেন : সালাহউদ্দিন
Printed Edition
নিজস্ব প্রতিবেদক
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বিগত ৫৫ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাসের সব দৃষ্টান্তকে ছাড়িয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
গতকাল গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আশপাশের সড়ক সরেজমিনে পরিদর্শন করেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে তারেক রহমান দেশে ফিরছেন। দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে তিনি ১৬-১৭ বছর নেতৃত্ব দিয়েছেন। গণতন্ত্রের রাকবচ হিসেবে আগামী দিনে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবেন এমন প্রত্যাশা দেশের মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। আমরা চাই, তারেক রহমানের এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন শুধু বিগত ৫৫ বছর নয়, আগামী ৫৫ বছরেও যেন নজিরবিহীন হয়ে থাকে। দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতেই আমাদের সব আয়োজন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বাংলাদেশ বিমানের নিয়মিত বাণিজ্যিক ফাইটে তারেক রহমান ঢাকায় আসবেন। ফাইটের ল্যান্ডিং টাইম ২৫ ডিসেম্বর বেলা ১১টা ৫৫ মিনিট।
সংবর্ধনার স্থান প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জনগণের অংশগ্রহণ ও জনদুর্ভোগ দুই বিষয়ই বিবেচনায় রেখে সম্ভাব্য স্থানগুলো পরিদর্শন করা হচ্ছে। চূড়ান্ত হলে তা জানানো হবে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন উপলে অভ্যর্থনা ও সাংগঠনিক প্রস্তুতি সমন্বয়ের জন্য একাধিক বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে অভ্যর্থনা কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে সালাহউদ্দিন আহমদকে এবং সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। কমিটিতে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দেিণর বিএনপি নেতারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
এ দিকে, চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পেয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।
সূত্র জানায়, ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের দেশে ফেরার সময় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিপুল জনসমাগমের মাধ্যমে তাকে বরণ করে নেয়া হবে। বিমানবন্দর থেকে এভারকেয়ার হাসপাতাল পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে নেতাকর্মীরা তাকে অভ্যর্থনা জানাবেন। দেশে ফিরে তিনি প্রথমে মা খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে যাবেন।
তারেক রহমান গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসায় অবস্থান করবেন, যা খালেদা জিয়ার বাসভবন ‘ফিরোজা’র পাশেই। পাশাপাশি গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয় ও নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তার জন্য পৃথক ক প্রস্তুত করা হয়েছে।