নারীর মতায়নে বিএনপি সবসময় কাজ করেছে : মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী

Printed Edition

বাসস

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জে এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বিএনপি সবসময় নারীর মতায়ন, মর্যাদা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার ল্েয কাজ করেছে। ভবিষ্যতেও সেই ধারা অব্যাহত থাকবে। গতকাল সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশে নারীর মতায়নের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। পরে সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। বর্তমানে সেই আদর্শ অনুসরণ করেই প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, নারীর মতায়নে বিএনপি সবসময় কাজ করেছে। নারীদের শিা ও সামাজিক উন্নয়নে বিএনপি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। মেয়েদের স্কুলে ইউনিফর্ম প্রদান, বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণ এবং দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিায় বিভিন্ন সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ বিএনপি সরকারের সময় বাস্তবায়িত হয়েছে। পাশাপাশি নারীদের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে বেগম রোকেয়া পদক চালু করা হয়, যা নারীর অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।

ডা. জাহিদ হোসেন আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সময় শিার্থীদের জন্য দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিা সহায়তার সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছিল। বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে এই সুযোগ আরও বাড়িয়ে স্নাতক পর্যন্ত বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।

তিনি জানান, বিএনপির বর্তমান নেতৃত্ব পরিবারভিত্তিক একটি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা করেছে। এ ব্যবস্থায় প্রতি পাঁচজন সদস্যকে একটি পরিবার হিসেবে ধরা হবে এবং কার্ডটি পরিবারের মা, বোন বা নারী অভিভাবকের নামে ইস্যু করা হবে। এতে পরিবারের সব সদস্যের জাতীয় পরিচয়পত্রসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংরতি থাকবে। ধীরে ধীরে এটিকে উন্নত বিশ্বের মতো ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’ পদ্ধতিতে রূপান্তরের পরিকল্পনাও রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বর্তমানে প্রতিবন্ধী ভাতা, বিধবা ভাতা এবং গর্ভবতী নারীদের সহায়তাসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু রয়েছে। এছাড়া দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত দরিদ্র মানুষের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থাও রয়েছে।

এসব সুবিধা পেতে স্থানীয় সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা বা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য তিনি জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।