হেলথ টিপস
Printed Edition
মিষ্টিআলুর পুষ্টিগুণ
মিষ্টিআলুতে আছে ফাইবার বা আঁশ, ভিটামিন আর খনিজ, সবই একসাথে। এক কাপ (প্রায় ২০০ গ্রাম) সেদ্ধ বা পোড়া মিষ্টি আলু থেকে শরীর পায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ।
মিষ্টি আলুতে দুই ধরনের আঁশ থাকে, দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয়। এই আঁশ অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়ার খাবার হিসেবে কাজ করে। এতে অন্ত্র সুস্থ থাকে, হজমশক্তি বৃদ্ধি পায়, পেট থাকে পরিষ্কার এবং কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।
হলুদ বা কমলা রঙের মিষ্টি আলুতে আছে প্রচুর বিটা ক্যারোটিন। শরীরে ঢোকার পর এটি ভিটামিন এ-তে রূপ নেয়, যা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে জরুরি। ভিটামিন এ-র অভাবে রাতকানা বা চোখের শুষ্কতার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। নিয়মিত মিষ্টি আলু খেলে এসব ঝুঁকি কমে।
বেগুনি মিষ্টি আলুতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট মস্তিষ্কের কোষকে তি থেকে রা করতে পারে বলে গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
মিষ্টি আলু ভিটামিন এ-র অন্যতম ভালো উৎস। এই ভিটামিন শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে শক্তিশালী রাখে। এ ছাড়া অন্ত্রের আবরণ সুস্থ রাখতে ভিটামিন এ জরুরি, আর অন্ত্র সুস্থ থাকলে শরীরও সংক্রমণের বিরুদ্ধে ভালোভাবে লড়তে পারে।
মিষ্টি আলু আমরা বেশির ভাগ সময় সেদ্ধ করে খাই, পোড়া মিষ্টি আলুর স্বাদ তো দারুণ। এ ছাড়া রান্না করা খুবই সহজ। সেদ্ধ, ভাপা, ভাজি, ভুনা, সবভাবেই খাওয়া যায়। চাইলে সবজি, ডাল বা সালাদেও যোগ করতে পারেন।
একটি বিষয় মনে রাখবেন, অল্প তেল (যেমন সর্ষের তেল বা অলিভ অয়েল) দিয়ে রান্না করলে মিষ্টি আলুর বিটা ক্যারোটিন শরীরে আরো ভালোভাবে শোষিত হয়।
মিষ্টি আলু সস্তা, সহজলভ্য আর পুষ্টিগুণে ভরপুর। আঁশ, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আর ভিটামিন এ-র কারণে এটি হজম, চোখ, মস্তিষ্ক ও রোগ প্রতিরোধ, সবকিছুর জন্যই উপকারী। ইন্টারনেট।