মহেশখালীতে গণসংযোগ
শেরপুরের ঘটনাই প্রমাণ করে একটি দল ষড়যন্ত্র করছে : হামিদুর রহমান আযাদ
Printed Edition
বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামির কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী ডক্টর এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, শেরপুর-৩ আসনে একটি দলের সন্ত্রাসী হামলায় জামায়াতের উপজেলা সেক্রেটারি মৌলানা রেজাউল করিমের শাহাদাতের ঘটনাই প্রমাণ করে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে একটি দল। তারা মুখে বলে গণতন্ত্র কিন্তু তাদের কাজের মধ্যে ষড়যন্ত্র। তারা সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বল্লেও এলেই তারা সহিংসতার পথে হাঁটছে। তারা নারীর মতায়নের কথা বলে; কিন্তু নারীদের হেনাস্তা করা হচ্ছে। ডক্টর হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, মাঠ পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়লেও এখনো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে পারেনি সরকার। বাংলাদেশের বিভিন্ন আসনে জামায়াত তথা ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণায় বিএনপি কর্তৃক সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে বাধার সৃষ্টি করছে। বাংলাদেশের জনগণ কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে মেনে নিবে না, তারা ব্যালেটের মাধ্যমে সময়োচিত জবাব দেবে। হামিদুর রহমান আযাদ শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানান। গতকাল মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নে দিন ব্যাপি গণসংযোগ ও পথ সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। হোয়ানক ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচনী অফিস উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে গণসংযোগ শুরু করেন। ২৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল থেকে হোয়ানক ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড ছনখোলা পাড়া, হরিয়ার ছড়া, কালাগাজির পাড়া, খোরশা পাড়া, হোয়ানক টাইম বাজার, বানিয়া কাটা, বড়ছড়া বাজার, রাজুয়ার ঘোনা, কেরুন তলি বাজার, কালালিয়া কাটা, মুহুরা কাটা ও পানির ছড়া বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ ভোটারদের সাথে দেখা করে কৌশলবিনিময় করে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় ভোট চান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সদর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মৌলানা আজিজুর রহমান, মহেশখালী উপজেলা দেিণর নায়েবে আমির মাস্টার আজিজুল হক, মাস্টার আক্তার কামাল, হোয়ানক ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা আবুল মালেক, সেক্রেটারি সৈয়দ কবির, মৌলানা মো: ইসহাক, মুমিনুল হক খোকনসহ তৃণমূল নেতারা। বিজ্ঞপ্তি।