ইসরাইলের জন্য মার্কিন সম্পদ ব্যয়ে আপত্তি কার্লসনের

Printed Edition

পার্স টুডে

সুপরিচিত মার্কিন সাংবাদিক ও বিশ্লেষক টাকার কার্লসন ইসরাইলকে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর সবচেয়ে বড় বিদেশী বোঝা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, ওয়াশিংটনের রাজনীতিবিদরা অতিরিক্ত ইসরাইলকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছেন।

কার্লসনের মতে, এই অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব স্বার্থের বিপরীতে কাজ করছে। তিনি আরো দাবি করেন, মার্কিন সম্পদ এখন তেল আবিবের সুবিধার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই মন্তব্যকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। সম্প্রতি সৌদি টেলিভিশন নেটওয়ার্ক রোটানাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে টাকার বলেন, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তার নিজস্ব স্বার্থ রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রকে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ ব্যবহার করে পশ্চিম এশিয়ায় আরেকটি যুদ্ধ শুরু করতে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

মার্কিন নেতাদের ইসরাইল-অনুগত অবস্থানের সমালোচনা করেছেন কার্লসন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, জাতীয় ঐক্যের সংকট এবং অভিবাসন সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। এ অবস্থায় দেশটির নেতাদের উচিত বাহ্যিক চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে নিজেদের দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয়া।

তিনি টেড ক্রুজ ও লিন্ডসে গ্রাহামের মতো সিনেটরদের তীব্র সমালোচনা করেন। ইসরাইলের জোরালো সমর্থক হিসেবে পরিচিত এসব রাজনীতিকের বিরুদ্ধে কার্লসন অভিযোগের তীর ছুড়েছেন। টাকারের মতে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের স্বার্থের চেয়ে ইসরাইলের স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। যা নিজেদের দেশের সাথেই বিশ্বাসঘাতকতার সমতূল্য। বিশ্লেষকরা বলছেন, কার্লসনের এসব বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগেরই প্রতিফলন। দেশটির অনেকের মন্তব্য, ইসরাইলের সাথে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থের ক্ষতি করতে পারে।