পদ্মা সেতুতে দ্রুত ও আধুনিক টোল আদায়ে ইটিসি নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু
Printed Edition
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দেশের যাতায়াত ব্যবস্থাকে সহজ ও আধুনিক করার লক্ষ্যে পদ্মা সেতুতে ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) সিস্টেমের আনুষ্ঠানিক নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নিবিড় পর্যবেক্ষণে সেতুর উভয় প্রান্তে এই আধুনিক প্রযুক্তি স্থাপন করা হয়েছে।
সেতু পারাপারকারী যানবাহনকে দ্রুত ও আধুনিক সেবার আওতায় আনতে গত ৩ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ফরিদপুরের গোল্ডেনলাইন পরিবহনের বাস ডিপোতে পোর্টাবেল আরএফআইডি স্ক্যানারের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের নিবন্ধন শুরু হয়। এ ছাড়া মাওয়া প্রান্তের নির্ধারিত বুথে সপ্তাহের প্রতিদিন এবং পর্যায়ক্রমে মাদারীপুর টার্মিনাল, ঢাকার রাজারবাগ, সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় এই নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ পর্যন্ত মোট ৫৪৬টি গাড়ি এই সিস্টেমের আওতায় নিবন্ধিত হয়েছে।
ইটিসি ব্যবহারের ফলে যাত্রীরা বহুমুখী সুবিধা পাবেন। এর মাধ্যমে টোল প্লাজায় গাড়ি না থামিয়ে ‘নন-স্টপ’ যাতায়াত করা যাবে, যা সময় ও জ্বালানি সাশ্রয় করবে। ক্যাশলেস এই লেনদেনে ট্যাপ, বিকাশ, নগদ, উপায়সহ বিভিন্ন ব্যাংকিং অ্যাপের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল পরিশোধ হবে এবং প্রতিটি লেনদেনের পর গ্রাহকের মোবাইলে তাৎক্ষণিক এসএমএস পৌঁছে যাবে। বর্তমানে নিবন্ধিত যানবাহনগুলো ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটারের অধিক গতিতে টোল প্লাজা অতিক্রম করার সুবিধা ভোগ করছে।
সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আবদুর রউফ জানান, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী জনসেবা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইটিসি সিস্টেমের মাধ্যমে যানবাহনগুলো দ্রুততম সময়ে সেতু পার হতে পারবে, যা দেশের অর্থনৈতিক গতিশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।’
পদ্মা সেতুর উভয় প্রান্তে নির্ধারিত বুথে বর্তমানে নিবন্ধন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আধুনিক ও নিরবচ্ছিন্ন এই সেবা গ্রহণের লক্ষ্যে সব যানবাহনের মালিক ও চালকদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে ইটিসি নিবন্ধন সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে। বিজ্ঞপ্তি।