জ্বালানি সাশ্রয়ে অংশীজনদের নিয়ে সেমিনারে শিক্ষামন্ত্রী

পাইলটিং হিসেবে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত আসতে পারে

Printed Edition

নিজস্ব প্রতিবেদক

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ কিংবা অনলাইনে নয় বরং জ্বালানি সঙ্কটের কারণে দেশে স্কুল কলেজের ক্লাস টাইম কমিয়ে আনতেই বেশি মতামত আসছে। গতকাল বুধবার ঢাকায় এ বিষয়ে অংশীজনদের সাথে মতবিনিময় সভায় এমন মতামতই বেশি এসেছে। তবে শিক্ষামন্ত্রী তার বক্তব্যে জানিয়েছেন পাইলটিং হিসেবে কিছু প্রতিষ্ঠানে অনলাইনে আবার কিছু প্রতিষ্ঠানে অফলাইনে ক্লাস চালু রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। আমাদের সেইভাবেই প্রস্তুতি নিতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এই সভায় আয়োজন করে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর বি এম আব্দুল হান্নান। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো: মাসুদ রানা, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো: দাউদ মিয়া।

সেমিনারে অংশ নিয়ে অংশীজনদের বেশির ভাগই বলেন, যুদ্ধবিরতি ঘোষণার মধ্য দিয়ে ইতোমধ্যে বেশ কিছু সমাধান উঠে এসেছে। তারপরেও আপদকালীনে আমরা চাইলে স্কুলের ক্লাস আওয়ার কিছুটা কমাতে পারি, ক্লাসের সময় বিদ্যুতের ব্যবহার কমানো সম্ভব। জানালাগুলো বেশি খোলা রাখলে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করা যাবে, ফলে লাইট কম জ্বালাতে হবে। যেসব স্কুলে এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার হয়, সেগুলোর ব্যবহারও সীমিত করা যেতে পারে। তবে জ্বালানি সাশ্রয়ে অনলাইন ক্লাসের পক্ষে মন্ত্রীপরিষদে মতামত দেয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, সব স্কুলে একযোগে নয় বরং যেসব প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা রয়েছে, সেগুলোতে পাইলট প্রকল্প নেয়া হতে পারে, যাতে জ্বালানি সাশ্রয়, যানজট কমানো এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠক্রম অব্যাহত রাখা সম্ভব হয়।

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, আমরা স্কুলের ক্লাস আওয়ার কিছুটা কমাতে পারি, ক্লাসের সময় বিদ্যুতের ব্যবহার কমানো সম্ভব।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির বলেন, আমরা ইতোমধ্যেই ডিজিটাল ডিভাইসের যুগে প্রবেশ করেছি। কাজেই এটি এড়ানোর সুযোগ নেই। ভবিষ্যতে হয়তো ডিভাইস নিয়ে এখনকার মতো কড়াকড়ি আরোপের সুযোগ থাকবে না বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।