শহীদ মনিারে ফুল : মো: আব্দুর রহমান
Printed Edition
ফাগুনরে সকালে পাখরি কলকাকলরি আবশেে ওদরে ছাদে এলো আশকি ও সজীব দুই ভাই। এসইে প্রাণভরে একটা স্বস্তরি নঃিশ্বাস নলিো দুজনইে। চারদিকিে গোলাপরে মৌ মৌ গন্ধে মনোরম একটা পরবিশে! এমন একটা সকালরে অপক্ষোয় ছলি আশকি। আজ সইে সুসময়টা এসছে;ে তাও আবার ফব্রেুয়ারি মাস বলে কথা।
গত কয়কে মাস ধরে কতই না কথা শুনতে হয়ছেে দাদু আর মায়রে কাছ,ে শুধু ফুলগাছগুলোর জন্য। কনে এই ফুলগাছ? কী দরকার? যত সব আর্বজনা! এসব প্রশ্ন শুনতে শুনতে আশকি হতাশ গয়িছেলি। তারপরও ওর দাদী আর ছোট্ট ভাই সজীব অবশ্য কছিুটা হলওে উৎসাহতি করছে।ে তাইতো এবার ছোট ভাইকে পাঠাল সবাইকে ডাকার জন্য।
কছিুক্ষণরে মধ্য একে একে সবাই এলো ছাদরে উপর।ে লাল টকটকে গোলাপগুলো দখেে রীতমিতো সবাই অবাক হয়ে গলে! মনে মনে সবাই খুব খুব খুশি হলো এবং আশকিকে বাহবা দতিে একটুও ভুল করল না। সজীবরে দাদু ও মাকে ইঙ্গতি করে ওর দাদী বলল, ‘কী দখেলে বৌ মা, বলছেলিাম না আমার দাদু ভুল কছিু করছে না। এবার দখেছে কত সুন্দর ফুল ফুটছে!ে’ চশমা চোখে দয়িে ভালো করে চারপিাশটা দখেতে থাকল ওর দাদু। আর মটিমিটিি করে হাসতে থাকল। ছাদরে ওপর চয়োরটায় আরাম করে বসল। এবার আশকিকে কাছে ডকেে ওর দাদু জজ্ঞিসে করল, ‘দাদু ভাই তুমি এত সুন্দর করে বাগান করলে আমাদরে ছাদ,ে পুরো পরবিশেটাই বদলে দয়িছে। এখন বলো তুমি কী পুরস্কার চাও? তুমি আজ যা চাইবে আমি তোমাকে তাই দবেো।’
আশকি বলল, দাদু গতবার তুমি একুশে ফব্রেুয়ারতিে ফুল তো কনিে দাওনি এমনকি আমাকে শহীদ মনিারওে যতেে দাওন।ি এবার আমার ছোট্ট একটা আবদার আছ।ে আগামীকাল একুশে ফব্রেুয়ার।ি আর তুমইিতো বলছেলিে ১৯৫২ সালরে ২১ ফব্রেুয়ারি এই দনিে রফকি, ছালাম, বরকত ওরা সকলে শহীদ হয়ছে।ে ওরা আমাদরে র্গব। তাই চলো আগামীকাল আমরা বাড়রি সবাই, এই লাল টকটকে গোলাপ হাতে করে শহীদ মনিারে যাবো এবং ভাষা শহীদদরে উদ্দশ্যে পুষ্প র্অপণ করব। এবার সাথে সাথে ওর দাদু আশকিরে এমন কথা শুন,ে ওকে বুকরে মাঝে জড়য়িে ধরলনে এবং হু হু করে কঁেদে ফলেলনে। আর বললনে, অবশ্যই দাদুভাই আগামীকাল সকালে আমরা অবশ্যই সকলে শহীদ মনিারে যাবো। যমেন কথা তমেন কাজ। পররে দনি ওরা সকলে ‘আমার ভাইয়রে রক্তে রাঙানো একুশে ফব্রেুয়ার’ি গান গাইতে গাইতে শহীদ মনিারে গলে।