নি ত্যো প ন্যা স
ঘটন-অঘটন সুন্দরবন
Printed Edition
প্রিন্স আশরাফ
এক শ’ছেচল্লিশ.
বন্দুক হাতের লোকদের বাদার সবাই সম্মান করে। এ যেন আরেক প্রকারের বাঘ।
মাঝি বিনীত গলায় বলল, ‘খাজরার গাজী বাড়ির লৌকো এইখান। আমি হামিদ গাজীর বড় ছাওয়াল হাকিম গাজী।’
‘তাই কও। তুমি গাজী বাড়ির ছাওয়াল। এই জন্যি ভুল করি এদির চলি আইয়িছাও। তুমি আমারে চিনতি পারব না। তুমার বাপ চিনতো। এখন চিনপরিচয় করি লাভ নেই। আর চিনপরিচয়ের জন্যি এহানে বেটিছাওয়াল নিয়ে গা ঢাকা দিইনি।’
দুই নৌকাই এখন প্রায় পাশাপাশি। খালি গায়ের লোকটার গলায় বাঘের নখের তাবিজ। পরনে চেক লুঙ্গি। বোঝাই যাচ্ছে এই অবস্থায় হয়তো জঙ্গলের ভেতর প্রাকৃতিক কর্ম সারতে গিয়েছিল। মেয়ে এই কারণে বন্দুক বাগিয়ে ধরেছিল। এই প্রাকৃতিক কর্ম করতে গিয়েই অনেকে বাঘের পেটে সাবাড় হয়ে যায়।
মেয়েটি কৌতূহলী চোখে তাদের দেখতে লাগল। চেহারার ছাচ বেশ সুন্দর। খুলনার এদিককার লোকের চেহারার আলাদা একটা ছাচ আছে। মেয়েদের চেহারায়ও সেই আদল। দেখতে বেশ লাগে। (চলবে)