বাসার-সাফা’র ‘মৎস্য কন্যা’
Printed Edition
বিনোদন প্রতিবেদক
মো: জামাল হোসেনের গল্প ভাবনায় ও সেরনিয়াবাত শাওনের চিত্রনাট্য পরিচালনায় পাঁচ দিনের শুটিংয়ে নির্মিত হয়েছে আগামী ঈদের বিশেষ নাটক ‘মৎস্য কন্যা’। নাটকটিতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন এই প্রজন্মের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাফা কবির। নাটকে তার চরিত্রের নাম ইরা। প্রজন্মের জনপ্রিয় অভিনেতা খায়রুল বাসার অভিনয় করেছেন রাফি চরিত্রে। রাফির বিপরীতেই ইরা চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাফা কবির। এরই মধ্যে কক্সবাজারে চার দিন ও ঢাকায় এক দিন এই নাটকের শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। নাটকটির গল্প প্রসঙ্গে নির্মাতা সেরনিয়াবাত শাওন বলেন, ‘এটা মূলত রাফির একজন মৎস্য কন্যাকে খোঁজার গল্প। রাফি মনে মনে একজন মৎস্য কন্যাকে খুঁজে বেড়ায়। পানির নিচে যখন রাফি ছবি তোলে তখন সেখানেও তাকে খুঁজে রাফি। একবার এক প্রজেক্টের কাজে রাফি কক্সবাজারে যায়। সেখানে গিয়ে ইরার মাঝে সে তার মৎস্য কন্যাকে খুঁজে পায়। সত্যিকার অর্থেই মৎস্য কন্যাকে খুঁজে পেতে পেতে গল্পটা শেষ হয়।’ নাটকটি আগামী ঈদে ‘রঙ্গন এন্টারটেইনম্যান্ট’ ইউটিউব চ্যানেলে প্রচার হবে। নাটকটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে খায়রুল বাসার বলেন, ‘সাফার সাথে আমার কাজের অভিজ্ঞতা ভীষণ ভালো। ভীষণ ডেডিকেটেড একজন অভিনেত্রী। যে চরিত্রেই অভিনয় করে তা যেন পারফেক্ট। সেজন্য সাফা অনেক শ্রম দিয়ে থাকে। ব্যক্তিগতভাবে সাফা খুবই হাসিখুশি একজন ঠাণ্ডা প্রকৃতির মানুষ। আমাদের বন্ধুত্ব কিংবা যোগাযোগটাও খুব ভালো। সবদিক বিবেচনা করলে সাফার সাথে কাজ করা আমার জন্য স্বস্তিকর এবং ভালোলাগার।’ সাফা কবির বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই কিন্তু আমার খুব প্রিয় এরিয়েল মারমেইড। আমার অনেক এরিয়েল মারমেইড সংগ্রহেও ছিল। ছোটবেলায় ভাবতাম সত্যিই কী মারমেইড আছে? বড় হয়েও আমার মাঝে ভাবনা কাজ করে মারমেইড বা মৎস্য কন্যা সত্যিই বিদ্যমান কি না।