তিতাস নদীতে ট্রলি পড়ে গোসলরত ৩ নারীর মৃত্যু

Printed Edition

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় গতকাল দুপুরে নদীতে গোসল করছিলেন তিন নারী। এ সময় একটি ট্রলি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে গোসলরত ওই তিন নারী নিহত হয়েছেন।

কুমিল্লা প্রতিনিধি ও তিতাস সংবাদদাতা জানান, কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় ট্রলি উল্টে নদীতে পড়ে তিন মহিলা নিহত হয়েছেন। তারা নদীতে গোসল করছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিতাস উপজেলার কড়িকান্দি-রাজাপুর সড়কের ইমন মিয়ার বাড়ির সামনে তিতাস নদীতে এই ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, শুক্কুর আলীর স্ত্রী রিনা আক্তার (৩৫), ইমন মিয়ার স্ত্রী রুজিনা আক্তার (৩০) ও ফারুক মিয়ার স্ত্রী সামছুন নাহার (৪০)। এদের মধ্যে রুজিনা ও সামছুন নাহার আপন জা ও রিনা আক্তার তাদের ভাগিনা বউ।

জানা যায়, তিন নারী তিতাস নদীতে গোসল করতে ছিলেন, এমন সময় রাজাপুর থেকে কড়িকান্দি বাজারগামী একটি খালি ট্রলি ইমন মিয়ার বাড়ির সামনে এসে উল্টে তিতাস নদীতে নারীদের উপর পড়ে যায়, ঘটনাস্থলেই রিনা ও রুজিনা মারা যান। সামছুন নাহারকে আহত অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পঞ্চগড় প্রতিনিধি জানান, পঞ্চগড়ের করতোয়া সেতুতে অফিস যাওয়ার পথে ট্রাক চাপায় সরকারি অফিসের কর্মচারী আনারুল ইসলাম (৪৭) নিহত হয়েছেন। নিহত আনারুল পঞ্চগড়ের আটোয়ারি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রসেস সার্ভার পদে কর্মরত ছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পঞ্চগড় করতোয়া সেতুতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ঘাতক ট্রাক জব্দ করে এবং চালকের সহকারী মজিবর শেখকে স্থানীয় জনতা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয়রা জানান, সকালে আনারুল বাসা থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে আটোয়ারীর উদ্দেশে বের হন। পথিমধ্যে করতোয়া সেতুতে এলে ইজিবাইককে ওভার টেক করতে গিয়ে ইজিবাইকের সাথে ধাক্কা লেগে বিপরীত দিক থেকে আসা ট্রাকের চাপায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন আনারুল। পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আনারুলের লাশ উদ্ধার করে পঞ্চগড় সদর থানায় নিয়ে যায়। পঞ্চগড় সদর থানার উপপরিদর্শক কাইয়ুম আলী জানান, এই ঘটনায় ঘাতক ট্রাক জব্দ এবং ট্রাকের হেলপার মজিবর শেখকে আটক করা হয়েছে।