নি ত্যো প ন্যা স

ঘটন-অঘটন সুন্দরবন

Printed Edition
Nitto-3
ঘটন-অঘটন সুন্দরবন

প্রিন্স আশরাফ

একশ’ উনচল্লিশ.

এই সৌন্দর্যের কোনো তুলনা নেই। কেমন মায়া মায়া চোখে তাকিয়ে থাকে। দেখলেই মায়া লাগে। এই মায়ার জীবগুলোকে মানুষ শুধু রসনাতৃপ্তির জন্য মেরে খায় কিভাবে!

এদিকে বালিহাঁসের ছড়াছড়ি। অন্য পাখিও চোখে পড়ছে। নাম না জানা পাখি। ছোট রঙিন কাঁকড়া আর জলজ পোকামাকড় খেয়ে জীবনধারণ করে। মাছরাঙা, ঈগল, কাক তো পরিচিত পাখিই।

এত সব নৈসর্গিক সৌন্দর্য দেখতে দেখতে মন অবশ হয়ে আসে। তখনই হাকিম মাঝি বলল, ‘আর ভয় নেই। এইবার গাঙে গিয়ে পড়তি পারি।’

নাভিদ যেন সরু খালের দুপাশের সৌন্দর্যে বিমোহিত হয়ে পড়েছিল। সে একটু বিরক্ত গলায় বলল, ‘বড় নদীতে গিয়ে পড়লে কী সুবিধা?’ যেন সে ছোট খাল ছেড়ে যেতে চাচ্ছে না। ‘বড় গাঙের কোনখানে যদি এট্টা কুপে পাওয়া যায়।’ কুপের ব্যাপারটা মাঝির কাছ থেকে জেনে নিলো। কুপ হলো বনের একটা নির্দিষ্ট চিহ্নিত এলাকা, যেখানে জেলে বাওয়ালী মৌয়ালরা বন বিভাগের তদারকিতে কাজ করে। (চলবে)