প্রশাসক নিয়োগ হলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচন সঠিক সময়ে হবে : মির্জা ফখরুল

Printed Edition

বিশেষ সংবাদদাতা

প্রশাসক নিয়োগ হলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচন ‘সঠিক সময়েই হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছয়টির সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পিছিয়ে যাচ্ছে কি না সাংবাদিকদের এরকম প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা জানান।

তিনি বলেন, না। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে সরকারি কতকগুলো নিয়মকানুন আছে। সরকারি যেসব প্রথা আছে, সেগুলোর মধ্যে কতকগুলো মেয়াদ আছে, কতকগুলো মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। সবগুলোকে এক জায়গায় নিয়ে এসে আমরা সরকারের তরফ থেকে একটি সঠিক সময়ে এসব নির্বাচন দেয়ার ব্যবস্থা করব। তবে নিঃসন্দেহে এ নির্বাচনকে প্রাধান্য দেয়া হবে।

গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসেন মির্জা ফখরুল। নেতাকর্মী সমর্থক-অফিস কর্মচারীদের সাথে শুভেচ্ছাবিনিময় করেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর এই প্রথম বিএনপি কার্যালয়ে এলেন।

‘সংসদে নারী আসন দলীয় প্রার্থীর যোগ্যতা কি হবে’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, নারী আসনের নির্বাচন পার্লামেন্টের সিদ্ধান্ত হবে। আর প্রার্থী মনোনয়নের যোগ্যতা হবে দলের আদর্শ, নীতির সাথে সম্পৃক্ততা থাকতে হবে, জনগণের সাথে সম্পৃক্ততা নিবিড় সম্পৃক্ততা থাকতে হবে, দলের জন্য ত্যাগ থাকতে হবে। আমাদের দলের মধ্যে যারা দলের সাথে নিবিড় ভাবে সম্পৃক্ত আছেন, যাদের ত্যাগ-তিতীক্ষা রয়েছে তাদেরকে প্রাধান্য দেয়া হবে।

নারী আসনে মনোনয়ন একই পরিবারের দুই সদস্য বিবেচনা করা হবে কি না জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এটি এখনই কিছু বলা যাবে না। এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

‘আওয়ামী লীগের অফিস খোলা প্রসঙ্গে’

প্রশ্ন ছিল অনেক জায়গায় আওয়ামী লীগের অফিস খোলা হচ্ছে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এটা আমরা চাইনি। যেহেতু আইনগতভাবে বলা আছে যে, তাদের (আওয়ামী লীগের) কার্যক্রম নিষিদ্ধ সেভাবে এটাকে দেখা হবে সব জায়গায়।

‘কেন্দ্রীয় কার্যালয় আমাদের কাছে প্রিয় অফিস’

নয়াপল্টনের কার্যালয়ে এসে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার শুরুতে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে। তিনি বলেন, আমাদের এই কেন্দ্রীয় অফিস এটা আমাদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় অফিস। এখান থেকে পরিচালিত হয়েছে গণতন্ত্রের উত্তরণের, সংগ্রামের সমস্ত আন্দোলনগুলো এবং এই অফিস থেকেই আমরা আমাদের নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যিনি আমাদেরকে ছেড়ে চলে গেছেন তার সভাপতিত্বে আমরা এই অফিসের সামনে বহু সমাবেশ করেছি যেগুলো জনগণকে অনুপ্রাণিত করেছে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়ার জন্য।

‘তারেক রহমানের নেতৃত্বেই দেশ এগিয়ে যাবে’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা এখন নতুন এক বাংলাদেশের যেন কাজ করছি, স্বপ্ন দেখছি আমাদের নেতা আমাদের তরুণ নেতা আমাদের দলের চেয়ারম্যান এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহেবের নেতৃত্বে। অতি অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি যে দেশের মানুষের মধ্যে যে একটা অবস্থান করে নিয়েছেন যে তিনি কাজ করে শুরু করেছেন এবং কাজ করবেন এবং তার বিভিন্ন কর্মপদ্ধতিতে সেটাই প্রমাণিত হচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল তার নেতৃত্বে আরো শক্তিশালী হয়ে উঠবে এবং এই সরকার।