শাকসু নির্বাচন
ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের ২৮ দফা ইশতেহার ঘোষণা
Printed Edition
শাবিপ্রবি প্রতিনিধি
দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচনে ২৮ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেছে ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘দুর্বার সাস্টিয়ান ঐক্য’ প্যানেল। শিার্থীদের অধিকার, নিরাপত্তা, আবাসন, শিা ও গবেষণা উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয় ইশতেহারে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে ইশতেহার ঘোষণা করেন ‘দুর্বার সাস্টিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী দেলোয়ার হোসেন শিশির ও জিএস পদপ্রার্থী মুজাহিদুল ইসলাম। এ সময় প্যানেলের অন্যান্য প্রার্থীও উপস্থিত ছিলেন।
ইশতেহারের ২৮ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- জুলাই কর্নার স্থাপন এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে জড়িতদের বিচার নিশ্চিতকরণ; অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে শাকসু অন্তর্ভুক্ত করা; শতভাগ আবাসন নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ উদ্যোগ গ্রহণ এবং অনাবাসিক শিার্থীদের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ; সাশ্রয়ী মূল্যে স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিতকরণ; নিরাপদ ও শিার্থীবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা; আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য সংরণ; আজাদী আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা সমুন্নত রাখা।
এ ছাড়া গবেষণা কার্যক্রম সমৃদ্ধকরণ, দতা ও ক্যারিয়ার উন্নয়ন, উদ্ভাবন ও সফট স্কিল বৃদ্ধি, উচ্চশিা মেন্টরিং, আন্তর্জাতিক সংযোগ জোরদার ও বৈশ্বিক শিা নিশ্চিতে উদ্যোগ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়।
টিউশন অ্যাপ চালু এবং বৃত্তি কার্যক্রম গ্রহণের কথাও ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়।
ইশতেহারে আরো বলা হয়, নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করা, শিার্থীদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কঠোর আইনগত পদপে, স্মার্ট সলিউশন ও প্রযুক্তিগত সুবিধা বৃদ্ধি, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন এবং দুর্নীতিমুক্ত ক্যাম্পাস গড়ে তোলা হবে।
নারীদের জন্য নিরাপদ ক্যাম্পাস ও মর্যাদাপূর্ণ ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতকরণ, পরিবেশবান্ধব ও সবুজ ক্যাম্পাস গঠনে সমন্বিত উদ্যোগ, আইনি সেবা ও মানবাধিকার সুরা, মেডিক্যাল সেন্টারের আধুনিকায়ন ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার কথাও ইশতেহারে স্থান পায়।
এ ছাড়া র্যাগিং ও হয়রানিমুক্ত শিাঙ্গন নিশ্চিত করা, ক্যাম্পাস ও সংলগ্ন এলাকায় প্রতিরোধমূলক নিরাপত্তা সেল গঠন, মাতৃত্বকালীন ছুটির বিধান কার্যকর, মেধাবী শিার্থীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক শিাব্যবস্থা এবং সাহিত্য-সংস্কৃতি ও খেলাধুলার পরিসর বৃদ্ধির অঙ্গীকার করা হয়।