গিনেস রেকর্ডের আশায়
Printed Edition
ক্রীড়া প্রতিবেদক
রাজধানীর মিরপুরের ইব্রাহিমপুর সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের সামনের রাস্তাটি যেন পরিণত হয়েছে ল্যাটিন আমেরিকান ফুটবলের এক অঘোষিত গ্যালারিতে। রাস্তার একপাশে ঝুলছে ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে বানানো ব্রাজিলের একটি জার্সি, আর তার ঠিক পাশেই সগর্বে উড়ছে প্রায় ৪০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩০ ফুট প্রস্থের এক বিশাল আর্জেন্টাইন জার্সি, যা আকারে প্রতিপরে জার্সির প্রায় দ্বিগুণ!
উদ্যোক্তাদের একজন মোহাম্মদ মাসুম বলেন, ‘মেসির শেষ বিশ্বকাপকে উৎসর্গ করেই আমাদের এই আয়োজন। প্রায় ৪০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩০ ফুট প্রস্থের এই জার্সিটি বানাতে আমাদের এক মাসের পরিকল্পনা আর ১০ থেকে ১৫ দিন সময় লেগেছে। পুরো জার্সিটির ওজন প্রায় ৫০ কেজি। এর মধ্যে কাপড়ের ওজন ২০ কেজি আর ভেতরে দেয়া লোহার হ্যাঙ্গারের ওজন ৩০ কেজি। এই কাপড় দিয়ে অনায়াসে ১৫০টি সাধারণ জার্সি বানানো যেত। ৩ ফুট বহরের কাপড় জোড়া দিয়ে এই বিশাল ক্যানভাসটি করা হয়েছে।’
টুর্নামেন্ট শেষে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফ্যান-মেড জার্সি হিসেবে নাম ওঠানোর আনুষ্ঠানিক আবেদন করার স্বপ্ন দেখছেন তারা। এ বিষয়ে মাসুম বলেন, ‘বিশ্বকাপের পর আমরা গিনেস কর্তৃপরে কাছে আবেদন করার পরিকল্পনা করছি। আর খরচের কথা যদি বলেন, ভালোবাসার বিপরীতে এর কোনো আর্থিক মূল্য নির্ধারণ করতে চাই নাÑ এটি একেবারেই প্রাইসলেস।’