ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সঙ্ঘাতের বিস্তার
বৈশ্বিক জ্বালানি ও নিরাপত্তা রাজনীতির নতুন সমীকরণ
Printed Edition
নয়া দিগন্ত ডেস্ক
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে কেন্দ্র করে যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে, তা দ্রুতই আঞ্চলিক সঙ্ঘাতের সীমানা ছাড়িয়ে বৈশ্বিক রাজনীতি, জ্বালানি নিরাপত্তা ও সামরিক কৌশলের নতুন বাস্তবতা তৈরি করছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষদিকে শুরু হওয়া এ সঙ্ঘাত ইতোমধ্যে বহু দেশে নিরাপত্তা সঙ্কট সৃষ্টি করেছে। ইরান পাল্টা হামলা জোরদার করার ঘোষণা দেয়ার পর পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠেছে।
যুদ্ধের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি দেখলে বোঝা যায়, এটি আর কেবল দুই পরে সামরিক সংঘর্ষে সীমাবদ্ধ নেই। বরং লেবানন, ইরাক, উপসাগরীয় অঞ্চল, এমনকি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার পর্যন্ত এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে।
ইসরাইলে পেণাস্ত্র হামলা ও হতাহত : ইরানের পাল্টা পেণাস্ত্র হামলায় ইসরাইলে ব্যাপক য়তির খবর পাওয়া যাচ্ছে। ইসরাইলি কর্তৃপ জানিয়েছে, সঙ্ঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ২,৭০০-এর বেশি ইসরাইলি আহত হয়েছেন। একই সাথে বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা ও নিরাপত্তা অবকাঠামো ল্য করে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে।
ইরানের ইসলামিক রেভুলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা অধিকৃত ফিলিস্তিনে অবস্থিত পালমাহিম বিমানঘাঁটি ও ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেতের সদরদফতরে ল্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। যদিও ইসরাইল এ হামলার সব দাবি নিশ্চিত করেনি, তবে সামরিক স্থাপনার আশপাশে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
ইরানের দাবি অনুযায়ী, তাদের হামলার অন্যতম ল্য ছিল ইসরাইলের রাডার ও আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা। তেহরান বলছে, এসব স্থাপনা তিগ্রস্ত হওয়ায় ইসরাইলের প্রতিরা ব্যবস্থা সাময়িকভাবে দুর্বল হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যদি এ দাবি সত্য হয়, তাহলে তা ইসরাইলের বহুস্তরীয় প্রতিরা ব্যবস্থা- বিশেষ করে আকাশ প্রতিরা নেটওয়ার্কের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
বেসামরিক য়তি ও মানবিক সঙ্কট : ইরান সরকার জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় এখন পর্যন্ত ৪১৪ জন নারী ও শিশু নিহত হয়েছেন। যুদ্ধের কারণে দেশজুড়ে বেসামরিক অবকাঠামোর ওপরও আঘাত হানার অভিযোগ উঠেছে।
জাতিসঙ্ঘের শরণার্থী সংস্থার প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, সঙ্ঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানের ভেতরে প্রায় ৩২ লাখ মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন। এ সংখ্যা দ্রুত বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বেসামরিক জনগণের এ ব্যাপক বাস্তুচ্যুতি মধ্যপ্রাচ্যে একটি নতুন মানবিক সঙ্কট তৈরি করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে তা সিরিয়া ও ইয়েমেনের মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।
হরমুজ প্রণালী : বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের কেন্দ্রবিন্দু : এ সঙ্ঘাতের সবচেয়ে বড় কৌশলগত মাত্রা দেখা যাচ্ছে হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে। ইরান ঘোষণা দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোনো তেলবাহী জাহাজকে তারা হরমুজ প্রণালী দিয়ে যেতে দেবে না।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এ সামুদ্রিক পথ দিয়ে সাধারণত প্রতিদিন প্রায় ২০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ করা হয়। কিন্তু সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণে এ প্রবাহ স্বাভাবিকের মাত্র ১০ শতাংশে নেমে এসেছে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেকরা জানিয়েছেন।
প্রায় এক হাজার জাহাজ, যার মধ্যে প্রায় দুই শতাধিক তেলবাহী ট্যাঙ্কার রয়েছে, বর্তমানে প্রণালী পার হওয়ার অপোয় আছে।
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, যদি ইরান সত্যিই প্রণালীতে মাইন পেতে দেয়, তাহলে তা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ভয়াবহ অস্থিরতা সৃষ্টি করবে। তেলের দাম হঠাৎ বৃদ্ধি পেলে বিশ্ব অর্থনীতির ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হতে পারে।
সামুদ্রিক বাণিজ্যে নতুন ঝুঁঁকি : হরমুজ প্রণালীর কাছে একটি জার্মান কনটেইনার জাহাজে পেণাস্ত্রের টুকরো আঘাত করার ঘটনা সামুদ্রিক বাণিজ্যের ঝুঁঁকি আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। জার্মান শিপিং কোম্পানি হাপাগ-লয়েড জানিয়েছে, তাদের একটি জাহাজে আগুন লাগলেও তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং সব নাবিক নিরাপদ রয়েছেন। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হাপাগ-লয়েডসহ কয়েকটি আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানি উপসাগরীয় অঞ্চলে পণ্য পরিবহন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।
বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য এটি একটি গুরুতর সঙ্কেত। কারণ মধ্যপ্রাচ্যের এ সমুদ্রপথ শুধু তেল নয়, বরং বৈশ্বিক পণ্য পরিবহনেরও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
সঙ্ঘাতে নতুন পরে অংশগ্রহণ : এ যুদ্ধের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণ। ইরাকভিত্তিক ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স’ নামের একটি গোষ্ঠী দাবি করেছে, তারা গত ২৪ ঘণ্টায় ইরাক ও আশপাশের অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে বহু ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
এদিকে লেবাননের হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, তারা দণি হাইফার একটি ইসরাইলি সামরিক ঘাঁটি ল্য করে পেণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
এ ঘটনাগুলো থেকে স্পষ্ট হচ্ছে, সঙ্ঘাতটি এখন এক ধরনের ‘প্রক্সি যুদ্ধের’ রূপ নিতে শুরু করেছে, যেখানে ইরানের মিত্র গোষ্ঠীগুলো সরাসরি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে।
উপসাগরীয় দেশগুলোর উদ্বেগ : ইরানের পাল্টা হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কাতার নতুন একটি পেণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করার দাবি করেছে এবং বাসিন্দাদের উচ্চ সতর্কতা জারি করে ঘরের ভেতরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে।
বাহরাইন, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবও তাদের আকাশ প্রতিরা ব্যবস্থা সক্রিয় করেছে।
উপসাগরীয় দেশগুলো এক দিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা অংশীদার, অন্য দিকে তারা ইরানের প্রতিবেশী। ফলে তারা সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে না চাইলেও নিরাপত্তা ঝুঁঁকি এড়াতে পারছে না।
কূটনৈতিক অচলাবস্থা : এ সঙ্ঘাতের সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো কূটনৈতিক আলোচনার পথ প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়া। ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল হামলা চালিয়ে যাওয়ার পরিস্থিতিতে তারা কোনো ধরনের আলোচনা বা যুদ্ধবিরতিতে রাজি নয়।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রকে প্রথমে আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক গ্যারান্টি দিতে হবে যে ভবিষ্যতে এমন হামলা আর হবে না। অন্য দিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তাদের সামরিক অভিযান ‘সফল’ হয়েছে। তবে যুদ্ধ কবে শেষ হবে সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়নি।
ইউরোপের দ্বৈত অবস্থান ও বৈশ্বিক রাজনীতিতে সম্ভাব্য প্রভাব : ইউরোপীয় দেশগুলোর অবস্থানও কিছুটা জটিল। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এক দিকে হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের বাইরে বলে উল্লেখ করেছেন, অন্য দিকে তিনি বলেছেন সঙ্ঘাতের জন্য ইরানও আংশিকভাবে দায়ী।
এ দ্বৈত অবস্থান দেখাচ্ছে, ইউরোপ সরাসরি কোনো প নিতে চাইছে না; বরং তারা সঙ্ঘাতকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এ যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে এর তিনটি বড় প্রভাব দেখা যেতে পারে।
প্রথমত, বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা। হরমুজ প্রণালীতে বাধা সৃষ্টি হলে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সামরিক জোটের সৃষ্টি। ইরানের মিত্র গোষ্ঠীগুলো যদি আরো সক্রিয় হয়, তাহলে সঙ্ঘাত সিরিয়া, লেবানন ও ইরাকজুড়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তৃতীয়ত, বৈশ্বিক শক্তির নতুন প্রতিদ্বন্দ্বিতা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিপরীতে রাশিয়া ও চীনের ভূরাজনৈতিক অবস্থান এ সঙ্ঘাতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
দণি এশিয়ায় সম্ভাব্য প্রভাব : এ যুদ্ধের প্রভাব দণি এশিয়াতেও পড়তে পারে। বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলো জ্বালানি আমদানির েেত্র মধ্যপ্রাচ্যের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।
তেলের দাম বেড়ে গেলে দণি এশিয়ার অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত লাখ লাখ প্রবাসী শ্রমিকের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশের প্রায় সাত মিলিয়ন প্রবাসী কর্মীর একটি বড় অংশ মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত। যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে তাদের কর্মসংস্থান ও নিরাপত্তা বড় প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।
সামনে কী হতে পারে? : বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, এ সঙ্ঘাত দ্রুত শেষ হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। যদি হরমুজ প্রণালীতে সরাসরি সামরিক সঙ্ঘর্ষ শুরু হয়, তাহলে তা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য বড় সঙ্কট তৈরি করতে পারে।
অন্য দিকে, কূটনৈতিক আলোচনার পথ খুলে না দিলে সঙ্ঘাত আরো বিস্তৃত হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে।
বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে মধ্যপ্রাচ্যের এ উত্তপ্ত সঙ্ঘাত শেষ পর্যন্ত কূটনীতির টেবিলে গিয়ে থামবে, নাকি তা নতুন এক দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের সূচনা করবে।
ইরান যুদ্ধ : ১২ মার্চ লাইভ টাইমলাইন
১১:১০ জিএমটি : কাতারের আকাশ প্রতিরা নতুন পেণাস্ত্র প্রতিহত
কাতারের প্রতিরা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির আকাশ প্রতিরা ব্যবস্থা একটি নতুন পেণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করেছে। এর আগে দেশটিতে নিরাপত্তা ঝুঁঁকি ‘উচ্চ’ পর্যায়ে উন্নীত করা হয় এবং বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে থাকার নির্দেশ দেয়া হয়।
১১:০৫ জিএমটি : হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজের সঙ্কট
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে প্রায় ১,০০০ জাহাজ, যার মধ্যে প্রায় ২০০ তেলবাহী ট্যাংকার, হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার অপোয় রয়েছে।
সাধারণত প্রতিদিন প্রায় ২০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল এ পথ দিয়ে বিশ্ববাজারে যায়। কিন্তু সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণে তা কমে স্বাভাবিকের প্রায় ১০ শতাংশে নেমে এসেছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন- যদি প্রণালীতে মাইন পাতা হয়, তাহলে তা বৈশ্বিক তেলবাজারে ‘সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি’ তৈরি করতে পারে।
১১:০০ জিএমটি : হরমুজের কাছে কনটেইনার জাহাজে আঘাত
জার্মান শিপিং কোম্পানি হাপাগ-লয়েড জানিয়েছে, তাদের একটি কনটেইনার জাহাজে পেণাস্ত্রের টুকরো আঘাত করে আগুন ধরে যায়।
যদিও আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং সব নাবিক নিরাপদ রয়েছেন। যুদ্ধের কারণে কোম্পানিটি উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন কার্গো বুকিং সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।
১০:৫৬ জিএমটি : ইরানে বাস্তুচ্যুত প্রায় ৩২ লাখ মানুষ
জাতিসঙ্ঘের শরণার্থী সংস্থা জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানের ভেতরে প্রায় ৩.২ মিলিয়ন মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন।
সংস্থাটি বলেছে, সঙ্ঘাত চলতে থাকলে মানবিক সঙ্কট আরও গভীর হতে পারে।
১০:৫৫ জিএমটি : গুপ্তচর সন্দেহে একাধিক গ্রেফতার
ইরানি কর্তৃপ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
কেরমান ও লোরেস্তান প্রদেশে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। সন্দেহভাজনদের কাছ থেকে যোগাযোগ যন্ত্র ও ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
১০:৫০ জিএমটি : ইরান-হিজবুল্লাহ সমন্বিত হামলার দাবি
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, ইসরাইলের ওপর সাম্প্রতিক হামলাগুলো লেবাননের হিজবুল্লাহর সাথে সমন্বয় করে পরিচালনা করা হয়েছে।
১০:৪৫ জিএমটি : যুদ্ধের মাঝেও কাজে ফিরছেন বাংলাদেশী শ্রমিকরা
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে অনেক বিদেশী শ্রমিক সাময়িকভাবে নিজ দেশে ফিরলেও এখন আবার কাজে ফিরতে শুরু করেছেন। ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেখা গেছে, বহু শ্রমিক সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে ফিরে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের প্রায় ৭০ লাখ প্রবাসীর বড় অংশই মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত।
১০:৪১ জিএমটি : কাতারে উচ্চ সতর্কতা
কাতার সরকার বাসিন্দাদের জন্য ‘উচ্চ সতর্কতা’ জারি করেছে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে ঘরের ভেতরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
১০:৪০ জিএমটি : হিজবুল্লাহ হামলা অব্যাহত থাকলে লেবাননে অভিযান হুমকি
ইসরাইলের প্রতিরামন্ত্রী বলেছেন, লেবানন সরকার যদি হিজবুল্লাহকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, তাহলে ইসরাইল সরাসরি লেবাননের ভূখণ্ডে সামরিক অভিযান চালাতে পারে।
১০:৩৫ জিএমটি : ইসরাইল ও আমিরাত থেকে কূটনীতিক সরানোর নির্দেশ
অস্ট্রেলিয়া তাদের ‘অপ্রয়োজনীয়’ কূটনীতিকদের ইসরাইল ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
তবে জরুরি কর্মকর্তারা নাগরিকদের সহায়তার জন্য সেখানে থাকবেন।
১০:৩০ জিএমটি : ইরান আলোচনায় রাজি নয়
ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল হামলা চালিয়ে যাওয়ার পরিস্থিতিতে তারা কোনো ধরনের আলোচনা বা যুদ্ধবিরতিতে রাজি নয়।
তেহরানের মতে, প্রথমে হামলা বন্ধ করতে হবে এবং ভবিষ্যতে এমন আগ্রাসন না হওয়ার আন্তর্জাতিক নিশ্চয়তা দিতে হবে।
১০:২৫ জিএমটি : ইসরাইলি ড্রোন ভূপাতিতের দাবি
ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা পশ্চিমাঞ্চলের ইলাম প্রদেশের আকাশে একটি ইসরাইলি হার্মিস ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
১০:১৫ জিএমটি : ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার বলেছেন, দেশের দ্বীপপুঞ্জে কোনো আক্রমণ হলে ইরান ‘সব ধরনের সংযম পরিত্যাগ করবে’ এবং কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখাবে।
১০:০৫ জিএমটি : মার্কিন মালিকানাধীন জাহাজে হামলার দাবি
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী দাবি করেছে, তারা ইরাকের কাছে একটি মার্কিন মালিকানাধীন তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে। ঘটনায় একজন ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন এবং অন্যদের উদ্ধার করা হয়েছে।
১০:০০ জিএমটি : যুক্তরাষ্ট্রের ‘বিজয় দাবি’, কিন্তু যুদ্ধ চলছেই
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র ‘বিজয় অর্জন করেছে’।
তবে যুদ্ধ কবে শেষ হবে- এ বিষয়ে তিনি কোনো সময়সীমা দেননি।
০৯:৫০ জিএমটি : লেবাননে ইসরাইলি হামলায় হতাহত
লেবাননের দণিাঞ্চলে ইসরাইলি ড্রোন হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া বৈরুতে একটি বিমান হামলায় আটজন নিহত এবং ৩১ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।