শামীমা আক্তার বেবীকে মনে পড়ে?

Printed Edition
bino-4
শামীমা আক্তার বেবীকে মনে পড়ে?

বিনোদন প্রতিবেদক

এক সময়কার বাংলাদেশ টেলিভিশনের সবচেয়ে প্রিয় মুখ ছিল প্রখ্যাত অনুষ্ঠান ঘোষিকা ও উপস্থাপিকা শামীমা আক্তার বেবী। আজ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি পেশাগত কাজ থেকে অনেক দূরে। নিজের সংসার, পরিবারের মাঝেই সময় কাটছে তার। আশির দশকের শুরু থেকেই তিনি বিটিভির অনুষ্ঠান ঘোষিকা ও উপস্থাপিকা হিসেবে ভীষণ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। তার সৌন্দর্য, তার মিষ্টি হাসি, ফ্যাশন এবং সর্বোপরি বাচন ভঙ্গি ছিল একেবারেই আলাদা। যে কারণে তিনি অল্প সময়েই দর্শকের কাছে ভীষণ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। শামীমা আক্তার বেবী একসময় ছায়ানটে নজরুল সঙ্গীতও শিখেছেন।

একসময় তিনি টুকটাক নাটকেও অভিনয় করেছেন। ১৯৯৭ সাল থেকে তারই প্রযোজনা সংস্থা ‘ত্রিপল এস ক্রিয়েশন’ থেকে মিউজিক ভিডিও নির্মাণ, ধারাবাহিক নাটকও নির্মাণ হতো। সেসব তিনি নির্দেশনা দিতেন। বলা যায় সব মিলিয়ে তিনি মেধাকে ঠিকঠাক মতো সংস্কৃতির সবগুলো মাধ্যমেই কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছেন। সর্বশেষ শামীমা আক্তার বেবীর উপস্থাপনায় এসএ টিভিতে ‘আমার ব্যালকনি’ অনুষ্ঠানটি প্রচার হয় ২০০৩ সালে।

শামীমা আক্তার বেবী, এখনো কাজের প্রস্তাব পান। কিন্তু এখন আর আগের মতো আগ্রহটা নেই তার। তবে অতীতে যে কাজ করেছেন তাই দিয়ে তিনি দর্শকের মাঝে শ্রদ্ধার আসনে আছেন। রাজধানীতেই চলার পথে হঠাৎ হঠাৎ কেউ কেউ যখন চিনে ফেলে, তখন মনের ভেতর ভালোলাগা ছুঁয়ে যায়। কারণ দর্শক এখনো তাকে মনে রেখেছেন।

আজ শামীমা আক্তার বেবীর জন্মদিন। জন্মদিনে পরিবারের সাথেই সময় কাটাবেন তিনি।

শামীমা আক্তার বেবী বলেন, ‘মাঝে মাঝে ফেলে আসা দিনগুলো খুব মিস করি। এখনো কাজের প্রস্তাব আসে। তবে এখন আর কোনো আগ্রহ নেই। নিজের মতো করেই এখন সময় কাটাচ্ছি।

তারপরও যদি হঠাৎ কোনো কাজ করতে ইচ্ছে করে হয়তো করতে পারি, তাও নিশ্চিত নয়। দর্শক এখনো আমাকে মনে রেখেছেন, এখনো আমাকে ভালোবাসেন-এটাই আসলে অনেক বড় প্রাপ্তি। জন্মদিনে সবার দোয়া চাই আল্লাহ যেন সুস্থ রাখেন ভালো রাখেন।’ ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় থেকে শামীমা আক্তার বেবী মনোবিজ্ঞানে অনার্স-মাস্টার্স করেছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি বিক্রমপুর।