বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তাব পিসিবির
Printed Edition
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ভারতে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬ ম্যাচ আয়োজন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। শ্রীলঙ্কায় ভেন্যু পাওয়া সম্ভব না হলে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো পাকিস্তানে আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে তারা।
জিও নিউজের তথ্য মোতাবেক, বিষয়টি ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে এবং বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য পাকিস্তানের সব ভেন্যুই পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ২০২৫ ও আইসিসি নারী বাছাইপর্বসহ একাধিক বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজনের অভিজ্ঞতাও রয়েছে দেশটির।
নাজমুলকে চট্টগ্রামে অবাঞ্চিত ঘোষণার হুমকি
জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে নিয়ে বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম নগরের কাজীর দেউড়ি এলাকায় মানববন্ধন করেছে তামিম ইকবাল সমর্থক গোষ্ঠী। কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটার তামিম ইকবালকে ‘ভারতের দালাল’ আখ্যা দিয়ে তার মানহানি করেছে। তাই অবিলম্বে এম নাজমুল ইসলামকে বিসিবি থেকে প্রত্যাহার করতে হবে। মানববন্ধনে বক্তারা হুঁশিয়ারি দেন, নাজমুল ইসলাম প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে চট্টগ্রামজুড়ে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে এবং চট্টগ্রামে তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হবে।
বৈঠকে বসছেন জয় শাহ
আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপের ভেন্যু নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে তৈরি হওয়া সঙ্কট নিরসনে বিসিসিআই কর্মকর্তাদের সাথে জরুরি বৈঠকে বসছেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ। ভারতের ভাদোদরায় ভারত বনাম নিউজিল্যান্ডের প্রথম ওয়ানডে চলাকালীন এই বৈঠকটি হওয়ার কথা। শুরুতে বিষয়টি সাধারণ অনুরোধের পর্যায়ে থাকলেও বর্তমানে তা একটি সংবেদনশীল জাতীয় ইস্যুতে রূপ নিয়েছে। আইসিসিকে দেয়া প্রথম চিঠিতে বিসিবি ভারত থেকে ম্যাচ সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের প্রস্তাব দেয়। দ্বিতীয় চিঠিতে বিসিবি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এটি কেবল নিরাপত্তা নয়, লড়াইটি এখন আত্মমর্যাদার।
আইসিসি এখনো এই চিঠির আনুষ্ঠানিক জবাব দেয়নি। আইসিসি চেয়ারম্যান হিসেবে জয় শাহর প্রথম কাজ হবে বিদ্যমান নিরাপত্তা পরিকল্পনা পর্যালোচনা করা এবং বাংলাদেশের আপত্তির জায়গাগুলো খতিয়ে দেখা। তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, জয় শাহকে সরাসরি বিসিবির সাথে আলোচনায় বসতে হবে এবং এমন একটি পথ বের করতে হবে যেখানে বিশ্বকাপের অখণ্ডতা বজায় থাকে এবং ঢাকার পক্ষ থেকে কোনো চাপের মুখে না পড়েই ঐকমত্যে পৌঁছানো যায়।