বিএসএফের গুলিতে নিহত শহীদুলের লাশ ৬ দিনেও পায়নি পরিবার

Printed Edition

জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) সংবাদদাতা

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার গয়েশপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত শহীদুল ইসলাম শহিদের (৩২) লাশ ঘটনার ছয় দিনেও দেশে ফিরিয়ে আনতে পারেনি পরিবার। লাশ না পাওয়ায় বাড়িতে চলছে শোকের মাতম; স্ত্রী, মা-বাবা ও স্বজনরা দিন কাটাচ্ছেন অনিশ্চয়তায়।

গত ২৯ নভেম্বর বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে সীমান্তের ৭০ নম্বর মেইন পিলারের কাছে গরুর জন্য ঘাস কাটতে গেলে বিএসএফ সদস্যরা শহীদুলকে আটক করে কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করেছেন বলে দাবি করেছে প্রত্যক্ষদর্শী ভারতীয় গ্রামবাসী। ঘটনার পর বিএসএফ প্রথমে তাকে আহত বলে জানালেও পরে রাত ৮টার দিকে বিজিবিকে মৃত্যুর খবর দেয়।

বিজিবি জানায়, শহীদুলের লাশ ভারতীয় কৃষ্ণগঞ্জ থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে এবং ময়নাতদন্ত শেষে কৃষ্ণনগর হাসপাতালের হিমঘরে সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। ৫৮ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল রফিকুল আলম বলেন, লাশ ফেরতের জন্য বিএসএফকে চিঠি দেয়া হয়েছে। তবে ভারতীয় পুলিশের অনুমতি না মিলায় হস্তান্তর বিলম্বিত হচ্ছে।

নিহতের পরিবার জানায়, টানা ছয় দিন ধরে লাশ ফেরত না পাওয়ায় তারা চরম মানসিক কষ্টে আছেন। এলাকাবাসীও সীমান্তে ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ড ও লাশ ফেরত বিলম্বে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং দুই দেশের প্রশাসনের আরও কার্যকর ভূমিকা কামনা করেছেন।