যোগ্যতার ভিত্তিতেই মিলবে অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড : তথ্যমন্ত্রী
Printed Edition
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রধানমন্ত্রী সবকিছু প্রাতিষ্ঠানিকভাবে চালাতে চান এবং এ ক্ষেত্রে দলীয় লোকও যেন অন্যায্য সুবিধা নিতে না পারে, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। গতকাল সোমবার সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ মতবিনিময়’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সচিবালয়ে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালন সহজতর করার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রতিটি গণমাধ্যম যদি সচিবালয়ের জন্য নির্দিষ্ট প্রতিনিধি পাঠায় এবং তাদের প্রবেশাধিকার সংশ্লিষ্ট মিডিয়া হাউজের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়, তবে এক দিকে যেমন চাপ কমবে, অন্য দিকে আপনাদের কাজ করাও সহজ হবে। গণমাধ্যমকর্মীরা যেন নিজের মিডিয়া হাউজ থেকেই এই এখতিয়ার পান। এতে আমাদেরও হিসাব করতে সুবিধা হবে যে, নির্দিষ্ট দিনে কোন হাউজের কয়জন প্রতিনিধি সচিবালয়ে এসেছেন।
সচিবালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, প্রবেশের বিষয়ে একটি ডাটাবেজ মেইনটেইন করা হবে। তিনি বলেন, কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে জবাবদিহিতার বিষয় থাকে- কে ঢুকেছে বা কে ঢোকেনি। তাই আমরা মিডিয়া হাউজকে টার্গেট করে এক বা একাধিক কার্ডের মাধ্যমে প্রবেশের বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করব এবং এটি যত দ্রুত সম্ভব করা হবে।
অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড প্রসঙ্গে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, নীতিমালার ভিত্তিতে এগুলো করা দরকার। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি বিষয় এত বেশি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে চালাতে চাচ্ছেন যে, আমাদের লোকও যেন কোনো অন্যায্য বেনিফিট নিতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হচ্ছে। ফলে অ্যাক্রেডিটেশনের পুরো নীতিমালাকে আমরা আরো বেশি প্রয়োগযোগ্য করব এবং অবশ্যই এটি সাংবাদিকদের সাথে আলোচনা করেই করা হবে।
কার্ড দেয়ার ক্ষেত্রে কোনো অসঙ্গতি থাকলে তা নিরসনের আশ্বাস দিয়ে মন্ত্রী বলেন, যদি নীতিমালার কোনো ব্যত্যয় ঘটে থাকে তবে আমরা সংশোধন আনব। এ ছাড়া যদি দেখা যায় অন্যায়ভাবে কেউ বাদ পড়েছেন, তবে তাকে নীতিমালার আওতায় অ্যাক্রেডিটেশন কার্ডের সুবিধা দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হবে। বিএসআরএফ সভাপতি মাসউদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভাটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল।