ইরানের পর কিউবা : ট্রাম্প

Printed Edition

আলজাজিরা

কিউবায় শাসনব্যবস্থা বদলানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তার প্রশাসন ইরানে যুদ্ধ শেষ করার পরই কমিউনিস্ট পার্টি-শাসিত দেশটির ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবে। ফুটবল দল ইন্টার মিয়ামির হোয়াইট হাউজ সফরের সময় ট্রাম্প তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে কিউবা নিয়ে ‘অসাধারণ কাজ’ করায় ধন্যবাদও দিয়েছেন।

কিউবার দুর্বল অর্থনীতিকে আরো চেপে ধরতে ট্রাম্প প্রশাসন এরই মধ্যে কিউবার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরো কঠোর করেছে। কিউবায় যা হচ্ছে চমৎকার। আমরা মনে করছি, আগে আমরা প্রথমে এটা (ইরান) শেষ করি। এরপর সেটা সময়ের ব্যাপার হবে, বলেছেন তিনি।

ফ্লোরিডা থেকে সমুদ্রপথে দেড় শ’রও কম কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কিউবার শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনে ট্রাম্প ও তার মিত্ররা গত কয়েক মাস ধরে নিয়মিতই হুমকি ধামকি দিয়ে আসছেন। ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তার নিজ দেশ থেকে অপহরণের পর মার্কিন এ প্রেসিডেন্ট জানান, তিনি হাভানার তেল পাওয়ার সব উপায় বন্ধ করে দিতে যাচ্ছেন। কয়েক দশকব্যাপী মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে তীব্র অর্থনৈতিক সঙ্কটে থাকা কিউবা ভেনিজুয়েলার তেলের ওপর অনেকখানি নির্ভরশীল ছিল। ট্রাম্প তার আকাক্সক্ষা বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাপী একের পর এক সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। লাতিন আমেরিকাতেও তার সামরিক উপস্থিতি সেখানকার দেশগুলোর ভেতর ভয় ধরাচ্ছে। ট্রাম্প এর আগে বলেছিলেন, নিকট ভবিষ্যতে ‘কিউবা পতনের জন্য প্রস্তুত’ বলেই মনে হচ্ছে।

মাদুরোকে অপহরণে যুক্তরাষ্ট্র ভেনিজুয়েলায় যে অভিযান চালিয়েছিল, তাতে যে কয়েক ডজন মানুষ নিহত হয়, তার মধ্যে কিউবানরাও ছিল। ওয়াশিংটনের এ অভিযান আন্তর্জাতিক আইনে ‘অবৈধ’ মনে হলেও এ বিষয় নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে খুব বেশি গা করতে দেখা যাচ্ছে না। নানাভাবে অসাধারণ সব সাফল্য পেয়েছি আমরা। প্রথম মেয়াদে আমি সামরিক বাহিনী গড়ে তুলেছি এবং পুনর্গঠন করেছি এবং আমরা তা ব্যবহার করছি, খোলাখুলি বলতে গেলে, যতটা ব্যবহার করতে চাই তার চেয়ে বেশিই; কিন্তু যখনই আমরা এটি ব্যবহার করি, আমরা দেখেছি যে এটি কাজ করছে, বিশ্বজুড়ে মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপ প্রসঙ্গে বলেন ট্রাম্প।