সুরক্ষানীতি ও পেশাদারিত্বে অ্যাথলেটিক্স
Printed Edition
ক্রীড়া প্রতিবেদক
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পদক জিতলেও অ্যাথলেটদের সেই কীর্তি সংরক্ষণ নেই সংশ্লিষ্ট ফেডারেশনে। নারী অ্যাথলেটদের নিগৃহের খবরও জানতে পারতেন না কেউ। কারণ লজ্জা-ভয়ে সেসব কথা তারা চেপে যেতেন। কাউকে না বলার কষ্টে নিভৃতেই সব কষ্ট মুখ বুঝে সহ্য করতেন। এসব এখন অতীত অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনে। অ্যাথলেটদের কীর্তিগাথা নিয়ে ডাটাবেজ ও আর্কাইভের জন্য নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করেছেন বর্তমান অ্যাডহক কমিটির কর্মকর্তারা। সেই সাথে নারী অ্যাথলেটদের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে সেফগার্ডিং (সুরক্ষানীতি)। নারী অ্যাথলেটদের সুবিধার্থে নিয়োগ দেয়া হয়েছে প্রশিক্ষিত অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন নারীকে। গতকাল জাতীয় স্টেডিয়ামের কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জাতীয় অ্যাথলেট (হপস্টেপ জাম্প), ১৯৯৩ সালে সাফ অ্যাথলেট দলের কোচ এবং বর্তমান অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব:) ড. মো: নাঈম আশফাক চৌধুরী।
অনেক সময় দেখা যায় ওয়েবসাইট কয়েক মাস পর আপগ্রেড তথ্য থাকে না, বন্ধ হয়ে যায়। তবে নাঈম আশফাক চৌধুরী নিশ্চয়তা দিলেন, ‘পুরনো ও নতুন অ্যাথলেটদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের যাবতীয় তথ্য থাকবে এই সাইটে।’
ট্র্যাকে খেলতে এসে অনেক নারী অ্যাথলেট নানা সমস্যার সম্মুখীন হন। কেউ নিগৃহীত হন, অশালীন আচরণ ও যৌন হয়রানির শিকার হন। কিন্তু লোকলজ্জার ভয়ে তারা এসব কথা কাউকে বলতে পারতেন না। নারী অ্যাথলেটদের এসব সমস্যার সমাধানে সুরক্ষানীতি তৈরি করেছে ফেডারেশন। যার প্রধান হিসেবে কাজ করবেন প্রফেসর ড. ওয়াজিদা বানু।