পেঁয়াজ বীজ চাষে আগ্রহ বাড়ছে নলডাঙ্গার কৃষকদের

Printed Edition

নলডাঙ্গা (নাটোর) সংবাদদাতা

নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় কৃষকরা কদম (পেঁয়াজ বীজ) চাষে লাভবান হচ্ছেন। খরচ ও পরিশ্রম বেশি হলেও লাভজনক হওয়ায় কৃষকরা পেঁয়াজ বীজ চাষের দিকে ঝুঁকছে। এই ফসলে সার, কীটনাশক যেমন বেশি লাগে তেমনি হাত দিয়ে পরাগায়ন করাতে হয়, এ জন্য পরিশ্রমও বেশি। তবে আবহাওয়া ভালো থাকলে ফলন যেমন ভালো হয় তেমন লাভও হয় প্রচুর।

উপজেলা কৃষি অফিস বলছে, এ বছর নলডাঙ্গা উপজেলাতেই পেঁয়াজ বীজের চাষ বেড়েছে ১৬২ হেক্টর জমিতে। পেঁয়াজের ফুলকে সবাই কদম বলে থাকে। এই কদম থেকে পেঁয়াজের বীজ হয়। গত বছর বেশ ভালো দাম পেয়েছিলেন চাষিরা। তাই এ বছর বেড়েছে পেঁয়াজ বীজের চাষ। পেঁয়াজের বীজ চাষে মৌমাছির পরাগায়ন নিয়ে নতুন চাষিদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

উপজেলার কদম চাষিরা জানান, অন্য সব ফসলের চেয়ে বেশি দাম পাওয়া যায় বলে পেঁয়াজের বীজ আমাদের কাছে কালো সোনা হিসেবে পরিচিত। এটি বেশ লাভজনক ফসল। তবে খরচ ও পরিশ্রম বেশি। যেহেতু এখন মৌমাছি দ্বারা পরাগায়ন হয় না, তাই কৃষকরা হাত দিয়েই পরাগায়ন করে দেন। জানা যায়, কদম চাষে এক বিঘা জমিতে খরচ হয় ৫০-৬০ হাজার টাকা। ভালো পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন হলে ৭০-৮০ কেজি বীজ পাওয়া যায়। গতবার তারা প্রতি কেজি পেঁয়াজ বীজ প্রতি কেজি আড়াই হাজার টাকা দরে বিক্রি করেছিলেন। তার আগের বছর প্রতি কেজি পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা দরে বিক্রি করেছিলেন। এবারের অনুকূল আবহাওয়া দেখে তারা ধারণা করছেন বীজ উৎপাদন ভালোই হবে।

নলডাঙ্গা উপজেলা কৃষি অফিসার মো: সবুজ আলী বলেন, এ বছর ১৬০ জন কৃষককে প্রণোদনা হিসেবে পেঁয়াজের বীজ দেয়া হয়েছে। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারাও মাঠপর্যায়ে কৃষকদের পাশে থেকে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করছেন যাতে উৎপাদন ব্যাহত না হয়।ম