তামিমের কাছে দর্শকদের চাওয়া

Printed Edition

ক্রীড়া প্রতিবেদক

আগের দিনই ঘোষণা দিয়েছিলেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল খান। স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে আসা দর্শকদের সুবিধা-অসুবিধার কথা সরাসরি শুনবেন। তার আগেই কয়েকজন দর্শক শোনালেন তাদের অভিজ্ঞতা-অনুযোগ-অভিযোগের কথা। রোদে ভোগান্তি, পানি-খাবারের দাম নিয়ে ক্ষোভ, সিকিউরিটিদের অতি অত্যাচার, কি আনা যাবে, কি আনা যাবে না, আগে থেকেই বলে না দেয়া, টিকিট প্রাপ্তিতে অসন্তোষ ইত্যাদি ইত্যাদি।

কয়েকদিন ধরেই সূর্যের প্রখর তাপে অসহিষ্ণু জীবন যাপন। গ্যালারিতে কয়েকজনের মিলিত অভিযোগ। মনের খোরাক মেটাতে খেলা দেখতে এসে শরীরিক অবস্থা তাদের বেহাল। ঘেমে-নেয়ে একাকার, কণ্ঠে হতাশা আর ক্ষোভ। ‘মানছি আমাদের টাকা পয়সা কম, যে কারণে স্বল্পমুল্যের টিকিটই ভরসা। এখানে খেলা দেখা অনেক কষ্টকর। গরমে বসে থাকা যায় না ভাই। ছাউনিটা থাকলে ভালো হয়। পানির দামও অনেক বেশি।’

প্রথম ম্যাচ দেখতে আসা বেশ ক’জন দর্শকের সাথে কথা বলে জানা গেল, তাদের অনেকেই জানেন না বিসিবি সভাপতির এই উদ্যোগের কথা। তবে তারা স্বাগত জানালেন বোর্ড প্রধানের এই পদক্ষেপকে। তীব্র রোদে ছাদধীন গ্যালারিতে বসে খেলা দেখার ভোগান্তির কথা যেমন অনেকে বললেন, আবার খাবার ও পানির বাড়তি দাম নিয়েও অভিযোগ করলেন। বিসিবির প্রতি জানালেন তারা কিছু অনুরোধ।

পানির বাড়তি দাম নিয়ে মাইনউদ্দিনের কথা, ‘এক গ্লাস পানি বিক্রি করছে ১০ টাকা, বোতল দুই লিটার ১০০ টাকা। দুই নম্বরি করছে এরা। ৫ টাকা, ১০ টাকা বেশি নিলে ঠিক আছে। এটা মেনে নিব। কিন্তু ৪০ টাকার জিনিস ১০০ টাকা নিচ্ছে। আমাদের ঘাম ঝরানো টাকা, আমাদের কষ্টের টাকা। তামিম ইকবালের কাছে অনুরোধ, এগুলো যেন নিয়ন্ত্রণ করা হয়।’

অনেকেই অনলাইনে টিকেট করেননি। এখানে এসে ইস্টার্ন গ্যালারির ২০০ টাকা দামের টিকেট তারা কালোবাজারে কিনেছেন ৩০০-৩৫০ টাকা করে।