মস্কোর প্রধান তেল শোধনাগারে কিয়েভের ড্রোন হামলা
Printed Edition
সিএনএন
ইউক্রেনের দূরপাল্লার ড্রোন হামলায় রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর একটি প্রধান তেল শোধনাগার (রিফাইনারি) গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে ফের ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে একই জ্বালানি স্থাপনায় কিয়েভের এটি দ্বিতীয় দফার বড় হামলা।
রুশ প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস করতে ইউক্রেন দূরপাল্লার ড্রোন সমতাকে ব্যাপকভাবে কাজে লাগাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় মস্কোর দণি-পূর্ব কাপোতন্যা এলাকার ‘মস্কো অয়েল রিফাইনারি’ ল্য করে কিয়েভ এই বিমান হামলা চালায়। মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন টেলিগ্রাম বার্তায় দাবি করেছেন, রাজধানীর আকাশসীমার দিকে ধেয়ে আসা ৪০টিরও বেশি ড্রোন ভূপাতিত করেছে রুশ প্রতিরাবাহিনী। তবে ড্রোনের খণ্ডবিখণ্ড অংশ ভেঙে পড়ে একটি শপিং সেন্টার তিগ্রস্ত হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের বিমান প্রতিরাব্যবস্থা এখনো এই ব্যাপক হামলা প্রতিহত করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।’
এ দিকে সিএনএনের পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই করা একটি ভিডিও ফুটেজে শোধনাগারটিতে ড্রোনের আঘাতের পর বিকট বিস্ফোরণের দৃশ্য ধরা পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, স্থাপনাটির এক প্রান্ত থেকে কালো ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী আকাশের দিকে উঠছে এবং ঠিক তার পরপরই আরেকটি শক্তিশালী বিস্ফোরণে পুরো এলাকা কেঁপে উঠছে। এর আগে গত মঙ্গলবারও একই শোধনাগারে ড্রোন হানা দিয়েছিল, যার ফলে ভেতরের একটি অবকাঠামো তিগ্রস্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মেয়র সোবিয়ানিন। মূলত গত কয়েক মাস ধরে রাশিয়ার বিভিন্ন জ্বালানি ডিপো, তেল শোধনাগার, নৌঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় ইউক্রেন ড্রোনের সাহায্যে জোরালো আক্রমণ চালিয়ে আসছে। অন্য এক অগ্রগতিতে, চলমান যুদ্ধ নিরসনের আলোচনায় কোনো ইতিবাচক অগ্রগতি না হওয়ায় মস্কোর ওপর বড় ধরনের অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।