সামর্থ্য প্রমাণের সুযোগ ওমানের সামনে

Printed Edition

ক্রীড়া ডেস্ক

টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬ কি আন্ডারডগদের টুর্নামেন্ট হতে পারে? শুরুটা দেখে অন্তত তেমনই মনে হচ্ছে। তুলনামূলক দুর্বল দলগুলো বড় দলগুলোর সাথে ভালোই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এবার আলো এসে পড়ছে কলম্বোর এসএসসি মাঠে, যেখানে আজ গ্রুপ ‘বি’র গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ওমান মুখোমুখি হবে জিম্বাবুয়ের। মাত্র চার দিন আগের প্রস্তুতিমূলক ম্যাচে ১৮৭ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করে চার উইকেটে জয় পেয়েছিল ওমান। এর আগে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলকেও পাঁচ উইকেটে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছে তারা। ২০০০ সালে আইসিসি অ্যাফিলিয়েট সদস্য হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত চারবার টি-২০ বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে। ইস্ট এশিয়া প্যাসিফিক বাছাইপর্বে রানার্সআপ হয়ে তারা এবারের আসরে এসেছে।

এ দিকে জিম্বাবুয়ে ২০২২ সালে টি-২০ বিশ্বকাপের মূল পর্বে উঠেছিল। সেই মঞ্চে পাকিস্তানকে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছিল তারা। ২০২৪ বিশ্বকাপের হতাশা এবার মুছে ফেলতে চায় তারা। তারুণ্যনির্ভর স্কোয়াডে অভিজ্ঞতার ভরসা হয়ে আছেন সিকান্দার রাজা, ব্রেন্ডান টেইলর ও গ্রায়েম ক্রেমার।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বড় দলগুলোর সাথে লড়াই করার সামর্থ্য দেখিয়েছে জিম্বাবুয়ে। ব্যাটিং ও পেস আক্রমণে এগিয়ে থাকা দলটি এই ম্যাচে ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নামবে। তবে ওমানকে হালকাভাবে নেয়ার সুযোগ নেই। দলটি পরিচিত তাদের ডিসিপ্লিন ক্রিকেট ও কার্যকর স্পিন আক্রমণের জন্য। হেড টু হেড পরিসংখ্যানে জিম্বাবুয়ে এগিয়ে। এখন পর্যন্ত দুই দলের মুখোমুখি ম্যাচগুলোতে জয় এসেছে জিম্বাবুয়ের পক্ষেই।

ম্যাচের আগে গতকাল সংবাদ সম্মেলনে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক বলেন, ‘ওমান খুব সংগঠিত দল। আমাদের শুরু থেকেই ফোকাস ধরে রাখতে হবে।’ অন্য দিকে ওমান অধিনায়ক আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে জানান, ‘আমরা ভয় পাচ্ছি না। বড় দলের বিপক্ষে খেললেও সুযোগ পেলে লড়াই করব।’

ইতালি চমকে দিতে চায় স্কটল্যান্ডকে

দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ইউরোপীয় ক্রিকেটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ইতালি ও স্কটল্যান্ড লড়াই। স্কটল্যান্ড দীর্ঘ দিন ধরে শক্তিশালী সহযোগী দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের অভিজ্ঞতাও তাদের রয়েছে। অন্য দিকে ইতালি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দ্রুত উন্নতি করছে। তবে স্কটিশদের বিপক্ষে তাদের জন্য কাজটা সহজ হবে না। মুখোমুখি লড়াইয়ে স্কটল্যান্ড স্পষ্টভাবে এগিয়ে। স্কটিশ অধিনায়ক বলেন, ‘ইতালিকে হালকাভাবে নিচ্ছি না। প্রতিটি ম্যাচই আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’ ইতালির অধিনায়কও পাল্টা বার্তা দিয়ে বলেন, ‘আমরা শুধু অংশ নিতে আসিনি, সুযোগ পেলে চমক দিতে চাই।’

শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি কানাডা

তৃতীয় ম্যাচে কানাডার প্রতিপক্ষ শক্তির ব্যবধান অনেক বেশি এগিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম পরাশক্তি প্রোটিয়ারা। তাদের দলে রয়েছে কুইন্টন ডি কক, এইডেন মাকরাম ও কাগিসো রাবাদার মতো তারকা ক্রিকেটার। কানাডা অ্যাসোসিয়েট পর্যায়ে ভালো দল হলেও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বড় অঘটন ঘটানো কঠিন। দুই দলের একমাত্র মুখোমুখি ম্যাচেও দক্ষিণ আফ্রিকা জয়ী হয়েছিল। ম্যাচের আগে দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক বলেন, ‘আমরা প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নিচ্ছি না। শুরু থেকেই আগ্রাসী ক্রিকেট খেলতে চাই।’ কানাডা অধিনায়কও আশাবাদী, ‘ক্রিকেটে সবই সম্ভব। আমরা নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স দিতে চাই।’