আমিরাতে নিহত সালেহ উদ্দিনের পরিবারের পাশে সরকার
Printed Edition
বড়লেখা (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতা
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভয়াবহ সংঘাতের মধ্যে ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রাণ হারিয়েছেন বাংলাদেশী প্রবাসী সালেহ উদ্দিন ওরফে আহমদ আলী। সোমবার সকালে নিহতের পরিবারের সদস্যদের সাথে মুঠোফোনে কথা বলে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
নিহত সালেহ উদ্দিনের পরিবারের সাথে আলাপকালে মন্ত্রী জানান, মরহুমের লাশ দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারকে আশ্বস্ত করে বলেন, ‘বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশী প্রবাসীদের কল্যাণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আমরা এই কঠিন সময়ে আপনাদের পাশে আছি।’ তিনি লাশ দেশে আনার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।
সালেহ উদ্দিন মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌরসভার গাজিটেকা গ্রামের মৃত সবর আলীর ছেলে। জীবিকার তাগিদে দীর্ঘ ২৭ বছর আগে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাড়ি জমিয়েছিলেন। তিনি আজমান শহরে বসবাস করতেন এবং পানি সরবরাহের গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার ইফতারের পর পানি সরবরাহের কাজে বের হলে একটি ক্ষেপণাস্ত্র তার গাড়িতে সরাসরি আঘাত হানে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গত রোববার দেশে তার মৃত্যুর খবর পৌঁছালে পরিবারে শোকের মাতম শুরু হয়। সালেহ উদ্দিনের মৃত্যুতে বড়লেখা এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার পরিবার ও এলাকাবাসী দ্রুততম সময়ে লাশ দেশে আনার দাবি জানিয়েছেন।