আরব দেশগুলোকে যুদ্ধে টানছে ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র : রাশিয়া

Printed Edition

আলজাজিরা

দখলদার ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আরব দেশগুলোকে যুদ্ধে ‘টেনে আনার চেষ্টার’ অভিযোগ তুলেছে রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে হামলার মাধ্যমে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোকে যুদ্ধে টানছে বলে নতুন করে মন্তব্য করল রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারা বলেছে, সঙ্ঘাত প্রশমিত হওয়ার কোনো লণ নেই।

রুশ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ওয়াশিংটন ও তেল আবিব ইচ্ছাকৃতভাবে ইরানকে কিছু আরব দেশের ল্যবস্তুতে প্রতিশোধমূলক হামলা চালাতে প্ররোচিত করেছে, যার কারণে জানমালের য়তি হয়েছে- এতে রুশ প গভীরভাবে অনুতপ্ত।

এতে আরো বলা হয়েছে, এভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল আরব দেশগুলোকে অন্য কারো স্বার্থের যুদ্ধে জড়ানোর চেষ্টা করছে। রাশিয়া জানায়, স্থিতিশীলতার একমাত্র পথ হলো ইরানের ওপর হামলা বন্ধ করা; কিন্তু আপাতত তেমন কোনো লণ দেখা যাচ্ছে না।

এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দখলদার ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা চালিয়ে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। ওই আগ্রাসনের পর হাতের মুষ্টি ছেড়ে দিয়েছে তেহরানও। ঝাঁকে ঝাঁকে পেণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ছে উগ্র ইহুদিবাদী ভূখণ্ড ও উপসাগরীয় দেশগুলোয় মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা ল্য করে।

অস্ত্র পাঠানোর কোনো অনুরোধ করেনি ইরান

এ দিকে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, চলমান যুদ্ধের মধ্যে ইরান রাশিয়ার কাছে অস্ত্র পাঠানোর কোনো অনুরোধ করেনি। মস্কো ইরানকে অস্ত্রসহ কোনো ধরনের সামরিক সহায়তা দেয়ার পরিকল্পনা করছে কি না- সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে পেসকভ বলেন, এই েেত্র ইরানের প থেকে কোনো অনুরোধ আসেনি। আমাদের ধারাবাহিক অবস্থান সবারই জানা এবং এ বিষয়ে কোনো পরিবর্তন হয়নি। গত বছর ইরান রাশিয়ার সাথে ২০ বছরের একটি কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি স্বার করে।

ইরানের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বুশেহরে দু’টি নতুন পারমাণবিক ইউনিট নির্মাণ করছে রাশিয়া। পাশাপাশি ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য ইরান রাশিয়াকে শাহেদ ড্রোন সরবরাহ করেছে।