স্বামীর মৃত্যুর পর ঘরছাড়া বিধবা ফারহানা
ন্যায্য অধিকার চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ
Printed Edition
নড়াইল প্রতিনিধি ও লোহাগড়া সংবাদদাতা
নড়াইলের লোহাগড়ায় স্বামীর মৃত্যুর পর একমাত্র সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন ফারহানা আক্তার (৩৬)। শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে সন্তানসহ ঘর থেকে বের করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। পাশাপাশি তার স্বর্ণালঙ্কার ও মূল্যবান জিনিসপত্র আটকে রাখার অভিযোগও ওঠে। ন্যায্য ও আইনগত অধিকার ফিরে পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ফারহানা।
গত রোববার লোহাগড়া প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফারহানা তার দুর্ভোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, ২০০৯ সালে লোহাগড়ার লক্ষীপাশা এলাকার মুকুল মোল্যার সাথে তার বিয়ে হয়। গত বছরের ২৭ আগস্ট কর্মস্থলে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়, যেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ফারহানার অভিযোগ, স্বামীর মৃত্যুর প্রায় ২৩ দিন পর শাশুড়ি ও অন্যান্য স্বজনরা যোগসাজশে তাকে তার একমাত্র সন্তান ফারদিন মোল্যাকে (১৪) নিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেন। বর্তমানে তিনি লক্ষীপাশায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন এবং আর্থিক সঙ্কটে দিন কাটাচ্ছেন।
তিনি আরো জানান, স্বামীর কর্মস্থল নিরিবিলি পিকনিক স্পটে স্বল্প বেতনে চাকরি করছেন। সেখান থেকেও তাকে চাকরিচ্যুত করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ফারহানা আক্তার বলেন, আমি স্বামীর বসতভিটায় থাকতে চাই। আমার ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে পেতে প্রশাসনের সহযোগিতা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।