জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় খামেনির বিশেষ পরিকল্পনা
Printed Edition
মিডল ইস্ট আই
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কার মধ্যেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বিশেষ এক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। শীর্ষ নেতৃত্বের মৃত্যু বা যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানিকে বিশেষ দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
যদি কোনো কারণে সর্বোচ্চ নেতা বা দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব দানে অক্ষম হন বা নিহত হন, তবে দেশকে টিকিয়ে রাখা এবং প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন জাতীয় নিরাপত্তাপ্রধান। খামেনি নিজেই এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন। মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং হামলার হুমকির মুখে এই আগাম প্রস্তুতি নিয়েছে তেহরান। মূলত সম্ভাব্য রাজনৈতিক শূন্যতা বা নেতৃত্বহীনতা এড়াতে খামেনির এই আগাম সিদ্ধান্ত ইরানজুড়ে নতুন এক সমীকরণ তৈরি করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ ও হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়াহর মতো মিত্র নেতাদের ওপর সফল গুপ্তহত্যার ঘটনা ইরানকে গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলেছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে খামেনি মনে করছেন, ইরানের অভ্যন্তরীণ চেইন অব কমান্ড বা নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে। এই শূন্যতা পূরণে এবং সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা এড়াতে আলী লারিজানি বা জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধানকে বিশেষ ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সদস্য ও উচ্চপদস্থ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার বরাতে গত রোববার নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক খবরে এসব তথ্য উঠে এসেছে। খামেনির নির্দেশনা অনুযায়ী, তার নিয়োগ দেয়া সামরিক ও সরকারি পদগুলোর জন্য চার স্তরের উত্তরাধিকার পরিকল্পনা করা হয়েছে।