রেলওয়ে ভূসম্পত্তি বিভাগে পদোন্নতি নিয়ে অনিয়মের ঘটনায় তদন্ত কমিটি

Printed Edition

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ রেলওয়ে ভূসম্পত্তি বিভাগে পদোন্নতি নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এই ঘটনায় রাজশাহী রেল ভবনের মহাব্যবস্থাপককে (জিএম) কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছিলেন বাংলাদেশ রেলওয়ে মহাপরিচালক (ডিজি)।

বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূসম্পত্তি বিভাগে আমিন থেকে ফিল্ড কানুনগো পদে পদোন্নতি নিয়ে অনিয়মের বিষয় সম্প্রতি দৈনিক নয়া দিগন্তে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এই বিভাগে রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলে (রাজশাহী) জালিয়াতির মাধ্যমে কয়েকজনকে পদোন্নতি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয় রেলপথ মন্ত্রণালয়।

এই ঘটনায় রাজশাহী রেলভবনের মহাব্যবস্থাপককে (জিএম) কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন বাংলাদেশ রেলওয়ে মহাপরিচালক (ডিজি)। গত ২৬ নভেম্বর উপপরিচালক রাশেদ লতিফের স্বাক্ষর করা চিঠি রাজশাহীর মহাব্যবস্থাপকের দফতরে প্রেরণ করা হয়। দ্রুততম সময়ের মধ্যে কমিটি গঠন করে অভিযোগ তদন্তের প্রতিবেদন রেল কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করার কথা নোটিশে বলা হয়েছে।

তদন্ত কমিটি গঠন করার বিষয় রাজশাহী রেলওয়ে মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদ প্রতিবেদককে বলেন সদরের প্রধান ভুসম্পত্তি কর্মকর্তাকে (সিইও) কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ফরিদ আহমেদ জানান, কমিটির তদন্তের বিষয়টি মনিটরিং করা হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্তের বিষয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে মহাপরিচালক (ডিজি) আফজাল হোসেন বলেন, এ ব্যাপারে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নির্ভরযোগ্য তদন্ত না হলে ফের কমিটি গঠন করে তদন্ত করা হবে।

অভিযোগ উঠেছে গত পাঁচ বছরের বার্ষিক গোপনীয় (এসিআর) প্রতিবেদনে প্রতিস্বাক্ষর জালিয়াতি করে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। বিধি লঙ্ঘন করে ফিল্ড কানুনগো পদোন্নতি দেয়ায় রাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ অর্থের অপচয় হচ্ছে। কারণ পদোন্নতি হলে ওই কর্মকর্তার বেতন ভাতাদিসহ সার্বিক দিক থেকে সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে। রেলওয়ের অসাধু কর্মকর্তাদের কারণে সরকারকে প্রতি মাসে অতিরিক্ত টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ।

ভূসম্পত্তি বিভাগের কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন, অবৈধ পদোন্নতি দিয়ে নিজেরা লাভবান হয়ে রাষ্ট্রের অতিরিক্ত টাকা ক্ষতি সাধন করছে, যা বিধির পরিপন্থী।