কিশোরীকে পতিতালয়ে বিক্রি, ভৈরবে নারী পাচারকারী গ্রেফতার

Printed Edition

ভৈরব প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের ভৈরবের রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে ফুসলিয়ে ময়মনসিংহ পতিতালয়ে বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগে মানবপাচার চক্রের অন্যতম সদস্য শারমিনকে (২৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার রাতে রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে তাকে আটাক করা হয়। গত বুধবার দুপুরে আসামিকে কিশোরগঞ্জ জেলা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত শারমিন নেত্রকোণা জেলার বারহাট্টা উপজেলার মৃত আহম্মদ আলীর মেয়ে।

পুলিশ সূত্র জানায়, ভৈরব রেলস্টেশন এলাকায় ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করা এক দম্পতির মেয়ে ফারজানা ওরফে নাইমা (১৪)। গত ১০ জানুয়ারি কিশোরী নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ভৈরব থানায় একটি জিডি করেন তার মা পারভিন বেগম। পরবর্তীতে লোকমুখে খবর পেয়ে গত ৪ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহ গাঙ্গিনাপাড় এলাকার নাজমা বোর্ডিং নামক একটি পতিতালয় থেকে ভৈরব থানা পুলিশ ও স্বজনদের সহায়তায় ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে।

উদ্ধার হওয়া কিশোরীর মা পারভিন বেগম জানান, আমি ভিক্ষা করে খাই। আসামি শারমিনসহ আরো চার-পাঁচজন মেয়েকে ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে ময়মনসিংহে নিয়ে যায়। সেখানে এক পতিতালয়ে লাভলী ও কবিরের কাছে টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দেয়। আমি দোষীদের শাস্তি চাই।

ভৈরব থানার ওসি আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, শারমিনসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।