নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব না দিলে ৭ বছরের কারাদণ্ড
গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে দাখিল
Printed Edition
বিশেষ সংবাদদাতা
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব প্রার্থীকে সরকারি গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই বিধান লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে বলে সতর্ক করা হয়েছে। সোমবার নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মো: শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে (পরিপত্র-১৮) এই নির্দেশনা জারি করা হয়।
ইসির পরিপত্রে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী নির্বাচনে বিজয়ী এবং পরাজিত উভয় ধরনের সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে হবে। এমনকি যারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন অথবা নির্বাচনের সময় কোনো ধরনের ব্যয় করেননি, তাদেরও নির্ধারিত ফরমে রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক।
বলা হয়েছে, নির্বাচিত প্রার্থীর নাম সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে রিটার্ন জমা দিতে হবে। প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্টকে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের নিকট ফরম-২২ এ এফিডেভিটসহ এই হিসাব জমা দিতে হবে। রিটার্নিং অফিসারের পাশাপাশি এই রিটার্ন ও এফিডেভিটের অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়েও পাঠাতে হবে। বিধি অনুযায়ী প্রার্থীদের ফরম-২২ক, ২২খ বা ২২গ এর নমুনায় হলফনামা দাখিল করতে হবে।
পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো প্রার্থী যদি নির্ধারিত সময়ে ব্যয়ের রিটার্ন দাখিলে ব্যর্থ হন বা আদেশ লঙ্ঘন করেন, তবে তিনি শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলে গণ্য হবেন। এ ক্ষেত্রে দোষী ব্যক্তিকে ন্যূনতম দুই বছর থেকে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রয়েছে।